মাহফুজুর রহমান সাইমন | শেরপুর প্রতিনিধি
শেরপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলামের গণসংযোগে হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের ডাকপাড়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গণসংযোগ শেষে নেতাকর্মীরা ফেরার পথে একটি সংঘবদ্ধ দল তাদের পথরোধ করে ইট-পাটকেল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
সদর উপজেলা জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক ও ইসলামী ছাত্রশিবির শেরপুর জেলা শাখার সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম স্বপন,
পৌরসভা ওয়ার্ড সভাপতি রাকিব,
এছাড়াও আরও একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা ও দলের নেতাকর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে শেরপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার পর আহতদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান জামায়াত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম,
সাথে ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর ও সদর উপজেলা প্রার্থী হাফিজুর রহমানসহ জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার সন্ধ্যায় শেরপুর শহরে বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
পরে হামলার বিষয়ে শেরপুর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেন হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। থানার সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,
“জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনৈতিক সহযাত্রী ছিল। কিন্তু কখনো এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। এই হামলা দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।”
তিনি আরও বলেন,
“ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। বিএনপির উচিত এমন সন্ত্রাসীদের দল থেকে বহিষ্কার করা।”
এসময় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হামলাকারীদের বিষয়ে তদন্ত করে সর্বোচ্চ আইনি সহায়তার আশ্বাস দেন।
জামায়াত নেতারা জানান, গণসংযোগে হামলা ছিল পরিকল্পিত এবং গণতান্ত্রিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার একটি অংশ। তারা বলেন,
“জনগণের সমর্থনে জামায়াতে ইসলামী মাঠে রয়েছে। ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাদের থামানো যাবে না।”
শেরপুরে জামায়াতের নির্বাচনী গণসংযোগে হামলার ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। জামায়াতের প্রার্থী বিএনপির কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন এবং অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।