নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর | প্রকাশিত: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন এক দফা দাবি আদায় এবং ৯ম পে স্কেলের গেজেট জারির দাবিতে শেরপুরে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ও আদালত চত্বরে এক বিশাল কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বিচার বিভাগীয় ও সরকারি কর্মচারীরা।
বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ শেরপুর জেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বেলা ১১টা পর্যন্ত টানা দুই ঘণ্টা এই কর্মবিরতি চলে। এসময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও আদালত চত্বরে সব ধরণের দাপ্তরিক কাজ বন্ধ থাকে, ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সেবাগ্রহীতারা সাময়িক ভোগান্তিতে পড়েন।
বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশনের জেলা সভাপতি আব্দুর রউফ। তিনি বলেন, "বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সরকারি কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ৯ম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ এখন সময়ের দাবি।"
সাধারণ সম্পাদক মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, "আমাদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। প্রশাসনকে সচল রাখতে হলে কর্মচারীদের পেটে আগে ভাত দিতে হবে। অবিলম্বে দাবি না মানলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।"
কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন:
আব্দুল হালিম, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক, বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন।
আব্দুর রহমান, সভাপতি, দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।
মো. দুলাল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক, দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।
মো. আল-আমিন, যুগ্ম সম্পাদকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কয়েক শতাধিক কর্মচারী।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকার ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেয়, তবে জেলাজুড়ে কঠোর প্রশাসনিক অচলাবস্থা তৈরি করা হবে। বিক্ষোভ শেষে একটি প্রতিনিধি দল তাদের দাবিনামা সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদানের প্রস্তুতি নেন।