মোঃ মামুন মিয়া ইসলামপুর প্রতিনিধি। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামালপুরের ইসলামপুরে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা, হাট-ঘাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—কে হচ্ছেন পরবর্তী উপজেলা চেয়ারম্যান? এই আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব হামিদুর রহমান মলিনের নাম। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ের সাধারণ মানুষের মন জয় করে তিনি এখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে।
রাজনৈতিক ত্যাগ ও সংগ্রাম দলীয় সূত্রে জানা গেছে, হামিদুর রহমান মলিন দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে উপজেলা বিএনপির সভাপতির ছায়াসঙ্গী হিসেবে রাজপথের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিকদল, ওলামা দল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষকদলসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে সমন্বয় করে তিনি রাজনীতিকে সুসংগঠিত করেছেন। ১২টি ইউনিয়নের যুবদল নেতাকর্মীদের দাবি, ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে তারা এবার যুবদলের নেতৃত্ব থেকেই উপজেলা চেয়ারম্যান দেখতে চান।
সামাজিক কর্মকাণ্ড ও জনমত রাজনীতির পাশাপাশি তিনি এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। ইসলামপুরের তরুণ ও যুব সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে তিনি নিরলস পরিশ্রম করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতা জানান, তৃণমূলের সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে যাকে পাশে পাওয়া যায়, তাকেই তারা ম্যান্ডেট দিতে চান। এ ক্ষেত্রে মলিনের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
প্রার্থীর বক্তব্য নিজের প্রার্থিতার বিষয়ে হামিদুর রহমান মলিন বলেন:
"বিগত ১৭ বছর ধরে রাজপথে থেকে সকল আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছি। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেয় এবং জনগণের সমর্থনে আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি, তবে আমি ইসলামপুরের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখব। আমি জনগণের শাসক নয়, বন্ধু ও সেবক হয়ে থাকতে চাই।"
তিনি আরও যোগ করেন, "দল-মত নির্বিশেষে ভেদাভেদ ভুলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও আধুনিক ইসলামপুর গড়তে আমি বদ্ধপরিকর। আপনাদের একটি মূল্যবান ভোট পারে সঠিক মানুষের হাতে উন্নয়নের চাবিকাঠি তুলে দিতে।"
জামালপুর জেলার ৭টি উপজেলার মধ্যে ইসলামপুরে জোট ও দলীয় সমীকরণে ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে হামিদুর রহমান মলিনের নাম এখন মুখে মুখে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত দলীয় নীতিনির্ধারক ও জনগণের রায় কার পক্ষে যায়।