
মাহফুজুর রহমান সাইমন, শেরপুর:
‘সেবার ব্রতে চাকরি’—এই মহৎ শ্লোগানকে সামনে রেখে শেরপুরে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের লক্ষ্যে প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশ লাইন্স মাঠে তিন দিনব্যাপী শারীরিক মাপ ও শারীরিক সক্ষমতা যাচাই (PET) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এই লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
শনিবার (৯ মে) শহরের নবারুণ পাবলিক স্কুলে অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর জেলায় নিয়োগযোগ্য প্রকৃত শূন্য পদ অনুসারে এবং বিদ্যমান সরকারি কোটা পদ্ধতি কঠোরভাবে অনুসরণ করে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে।
লিখিত পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার ও নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি জনাব এ, কে, এম জহিরুল ইসলাম। তিনি পরীক্ষার হলের সার্বিক শৃঙ্খলা ও কার্যক্রম তদারকি করেন। পরিদর্শনকালে তিনি মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধি, টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ এবং জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ নিয়োগ কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জেলা পুলিশ জানায়:
ফলাফল প্রকাশ: লিখিত পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১৮ মে ২০২৬ তারিখ সকাল ৯ ঘটিকায় শেরপুর জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে প্রকাশ করা হবে।
মৌখিক পরীক্ষা: লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ওইদিনই (১৮ মে) সকাল ১০ ঘটিকা থেকে মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে।
পরবর্তীতে প্রার্থীদের লিখিত, মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে চূড়ান্ত মেধাক্রম অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। সম্পূর্ণ দালালমুক্ত এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যোগ্য প্রার্থী বাছাই করতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর বলে জানানো হয়েছে।