
(নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারী জেলার শ্রেষ্ঠ সহকারী কমিশনার (ভূমি) (এসিল্যান্ড) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডিমলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রওশন কবির। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) নীলফামারী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক মো. নায়িরুজ্জামান তার হাতে শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ডের সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।
সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন:
ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাক (সিভিল সার্জন)
মো. সাইদুল ইসলাম (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক - রাজস্ব)
নুজহাত তাসমিন আওন (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক - সার্বিক)
মো. ফারুক আহমেদ (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার)
মো. ইমরানুজ্জামান (ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)
এছাড়া জেলার ছয় উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
ডিমলা উপজেলায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মো. রওশন কবির ভূমি প্রশাসনের সেবাকে জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তার উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে:
সরকারি খাসজমি উদ্ধার ও সংরক্ষণ এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদ।
ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি ও নামজারি কার্যক্রমে গতি বৃদ্ধি।
ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ।
ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো ও দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন।
এ বিষয়ে নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মো. নায়িরুজ্জামান বলেন—
“জনসেবামুখী কর্মকাণ্ড, প্রশাসনিক দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য মো. রওশন কবিরকে জেলার শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ড হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।”
মো. রওশন কবির জেলার শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ড নির্বাচিত হওয়ায় ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
ডিমলা উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকেও তাকে বিশেষ শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। এক যৌথ বিবৃতিতে প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ময়েন কবীর, সাধারণ সম্পাদক মো. বাদশা প্রামাণিক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ তার কর্মজীবনের ধারাবাহিক সাফল্য ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।
স্থানীয়দের মতে, মো. রওশন কবির একজন সৎ, কর্মঠ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে ইতোমধ্যে ডিমলাবাসীর আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রশাসনের বিভিন্ন মহলের আশা, এ স্বীকৃতি তাকে ভবিষ্যতে আরও উদ্দীপ্ত করবে এবং ভূমি প্রশাসনে সুশাসন নিশ্চিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।