1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নালিতাবাড়ীতে পিকআপভর্তি ২৭৩ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, গ্রেফতার ৩ নীলফামারী জেলার শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ড নির্বাচিত হলেন ডিমলার রওশন কবির ঝিনাইগাতীতে স্বাস্থ্য খাতে অর্থায়ন জোরদারে এমসিজিএলের ফান্ড মোবিলাইজেশন সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্তদের পুরস্কার ও সনদ বিতরণ মধুপুরে কারিতাসের দিনব্যাপী কৃষি ও খাদ্য বৈচিত্র্য মেলা অনুষ্ঠিত মধুপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ মধুপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ জলঢাকায় চাহিদার অর্ধেক মিলছে বিদ্যুৎ, লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন ডিমলায় পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত, কৃষি প্রযুক্তি প্রসারে নতুন প্রত্যাশা

নেপালে কারাগার ভাঙচুর: ধনগড়ি জেল থেকে পালালেন বহু বন্দি

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২০৫ বার পড়া হয়েছে
নেপালের ধনগড়ি কারাগারে ভাঙচুরের পর পালাচ্ছেন বন্দিরা, মুক্তি পেয়েছেন রবি লামিছানে।
ছবি সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

নেপালে চলমান অস্থিরতার মধ্যে ধনগড়ি কারাগারে ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, বিক্ষোভকারীরা এ সময় কারাগারে হামলা চালিয়ে বহু বন্দিকে মুক্ত করে দেন। এতে একাধিক কয়েদি পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি নেপালের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ধনগড়ি কারাগারে হামলার সময় বিক্ষোভকারীরা ন্যাশনাল ইন্ডিপেন্ডেন্ট পার্টির (এনআইপি) সভাপতি রবি লামিছানেকেও মুক্ত করে নিয়ে যায়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর নিশ্চিত করেছে।

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) নেতা এবং রবি লামিছানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী দীপক বোহারা জানিয়েছেন, লামিছানে বর্তমানে নিরাপদ স্থানে রয়েছেন। তিনি বলেন, “বিক্ষোভকারীরা তাকে কারাগার থেকে বের করে এনেছে, এখন তিনি সুরক্ষিত আছেন।”

এদিকে, এ ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে আরএসভিপি কর্মীদের ফেসবুক লাইভে দেখা যায়, রবি লামিছানেকে ঘিরে নিরাপত্তা বাহিনী অবস্থান নিয়েছে এবং তাকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন উপস্থিত জনতা। ভিডিও ফুটেজে বিক্ষোভকারীদের উল্লাসও ধরা পড়ে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নেপালের সাম্প্রতিক সহিংসতা ও শীর্ষ নেতাদের পদত্যাগের পর পরিস্থিতি যে ভয়াবহ দিকে যাচ্ছে, এই কারাগার ভাঙচুরের ঘটনাই তার বড় প্রমাণ। তারা মনে করছেন, বন্দিদের পালিয়ে যাওয়া নেপালের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলবে।

অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পালিয়ে যাওয়া কয়েদিদের পুনরায় আটক করতে তৎপর হয়েছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে রাজধানী কাঠমান্ডুতে প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে প্রবেশ করে বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছিল। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ ও দুর্নীতির প্রতিবাদে সারা দেশেই সহিংস বিক্ষোভ চলছে। প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল ও প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির পদত্যাগের পর থেকেই উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নেপাল এখন এক নজিরবিহীন রাজনৈতিক শূন্যতা ও অস্থিরতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। দেশের রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় দ্রুত সমঝোতায় না পৌঁছালে সহিংসতা ও নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

 নেপালের এই পরিস্থিতি শুধু রাজনৈতিক অস্থিরতাই নয়, বরং সামাজিক স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট