1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিগ্রীরচর বড় ঈদগাঁহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর নামাজ অনুষ্ঠিত হয় হাবিবুল্লাহনগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউপি সদস্য শাহাদৎ হোসেন বাঘায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মরিচপুরান ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সুলাইমান সিদ্দিকী সানি পঞ্চগড়ে অসহায়দের মাঝে ‘আগুন তোলা স্বপ্ন ছোঁয়া’ সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীর বাঘায় ২০০ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটালো ফেসবুক গ্রুপ ‘আমাদের বাঘা’ জলঢাকাবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক আল আমিন ইসলাম বাঘবেড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রহুল ইসলাম শেরপুরে দুই শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদের ঈদ উপহার বিতরণ

টিকটকে আসক্ত হয়ে ঘর ছাড়লেন তিন সন্তানের জননী কেয়া বেগম

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৬ বার পড়া হয়েছে
বরিশালের বাকেরগঞ্জে টিকটক আসক্তিকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের অভিযোগ
টিকটকে আসক্তিকে কেন্দ্র করে বরিশালের বাকেরগঞ্জে তিন সন্তানের জননী ঘর ছাড়ার অভিযোগ উঠেছে

শাহিন হাওলাদার | বরিশাল প্রতিনিধি :
টিকটকে আসক্ত হয়ে তিন সন্তানের জননী কেয়া বেগম নামে এক নারী সংসার ছেড়ে চলে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঠালিয়া গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কাঠালিয়া গ্রামের আপতার আলি হাওলাদারের ছেলে আরিফুর রহমানের স্ত্রী কেয়া বেগম (বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কোবির হালদারের মেয়ে) দীর্ঘদিন ধরে টিকটকে আসক্ত হয়ে পড়েন।

ভুক্তভোগী আরিফুর রহমান জানান, ২০১২ সালে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর কয়েক বছর দাম্পত্য জীবন স্বাভাবিক থাকলেও জীবিকার তাগিদে তিনি বিদেশে পাড়ি জমান। বিদেশে থাকাকালীন তিনি জানতে পারেন, তার স্ত্রী মোবাইল ফোনে টিকটক আইডি খুলে বিভিন্ন অপরিচিত ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

পরবর্তীতে দেশে ফিরে এসে ঢাকায় একটি ছোট চাকরিতে যোগ দিয়ে স্ত্রীকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও কেয়া বেগম টিকটক ছাড়তে রাজি হননি। এ বিষয়ে কথা বললেই তিনি রাগ করে বাবার বাড়ি চলে যেতেন। একাধিকবার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিষয়টি মীমাংসা করলেও কিছুদিন পর আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়।

আরিফুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, টিকটক ব্যবহারে বাধা দিলে স্ত্রী আত্মহত্যার হুমকি দিতেন। লোকলজ্জার ভয়ে এবং সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তিনি বিষয়টি দীর্ঘদিন চেপে রাখেন।

তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ের বয়স ১২ বছর, ছোট মেয়ের বয়স ৬ বছর এবং ছেলের বয়স মাত্র ১৮ মাস।

তিনি জানান, “শেষ পর্যন্ত যখন দেখলাম সে আমাকে ছাড়তে পারবে কিন্তু টিকটক ছাড়তে পারবে না, তখন বিষয়টি চরমে পৌঁছে। গত ২০ ডিসেম্বর শনিবার রাতে টিকটক নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমাকে যৌতুক মামলার হুমকি দেয়। পরদিন রবিবার সকালে ১৮ মাসের শিশু সন্তানকে রেখে সে বাবার বাড়ি চলে যায়।”

এ ঘটনায় তিনি বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবগত করেছেন এবং এর সঠিক বিচার দাবি করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট