
মাহফুজুর রহমান সাইমন, শেরপুর। | ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
শেরপুর: ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’—নতুন সূর্য আর নতুন আশার মধ্য দিয়ে শেরপুরে বরণ করে নেওয়া হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা ও লোকজ মেলার মাধ্যমে বর্ষবরণ উৎসব উদযাপিত হয়।
সকালবেলা জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে থেকে আনন্দ শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। শোভাযাত্রায় বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তুলতে প্রদর্শিত হয়:
বিশাল আকৃতির রঙিন ঘুড়ি ও ময়ূর।
বাঘ, পাখি ও বিভিন্ন লোকজ মুখোশ।
বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যের স্মারক গরুর গাড়ি ও পালকি।
শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
শোভাযাত্রা শেষে শহরের ডিসি উদ্যানে তিন দিনব্যাপী লোকজ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান। মেলা প্রাঙ্গণে গ্রামীণ পণ্যের সমাহার ও সাংস্কৃতিক আবহ তৈরি হয়েছে।
উৎসবের এই আমেজে উপস্থিত ছিলেন:
জেলা পরিষদের প্রশাসক মামুনুর রশিদ পলাশ
পুলিশ সুপার মোঃ কামরুল ইসলাম
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শাকিল আহমেদ
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান ভুঁঞা
পৌর প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা হক
শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাঁকন রেজা ও কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ
বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়াল চৌধুরী
এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেন।
কেবল জেলা শহরেই নয়, শেরপুরের বিভিন্ন উপজেলা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও পৃথক পৃথক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। জেলার প্রায় শতাধিক গ্রামে, হাট-বাজারে ও স্কুল মাঠে বসেছে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা। নাগরদোলা আর লোকজ পণ্যের পসরায় সেজেছে পুরো জেলা।