1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রংপুরে পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন বকশীগঞ্জ সীমান্তে পুশইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার রাণীনগরে গাছ কেটে জমি দখলের অভিযোগ, ভিডিও করায় গৃহবধূকে হেনস্তা শেরপুরে জেন্ডার স্টেরিওটাইপ নিরসনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা: ৩ দিন ধরে শূন্যরেখায় ১০ জনের মানবেতর জীবনযাপন, উত্তেজনা পঞ্চগড়ে সিজারের আগে খোলা স্বর্ণের চেইন ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ, নার্সের দাবি ‘হারিয়ে গেছে’ মধুপুরে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ডাকে কলম বিরতি পালিত পঞ্চগড়ে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু নান্দাইলে দুই গ্রামের মুখোমুখি অবস্থান: সংঘাত এড়াতে ১৪৪ ধারা জারি

রাণীনগরে পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের দোকানঘর ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করলেন ইউপি চেয়ারম্যান

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২০৪ বার পড়া হয়েছে
রাণীনগরে পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের দোকানঘর ভাঙচুর নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের বক্তব্য
রাণীনগরে পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের দোকানঘর ভাঙচুর নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের বক্তব্য

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্মিত ইটের দোকানঘর ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পারইল ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান জাহিদ। রোববার দুপুরে উপজেলার পারইল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ উড়িয়ে দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের দোকানঘর ও অন্যান্য স্থাপনা ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

সংবাদ সম্মেলনে ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান জানান, পারইল উচ্চ বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র সাহা বিদ্যালয়ের গ্যারেজের জায়গায় আইনবিরুদ্ধভাবে দোকানঘর নির্মাণ করছিলেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হলেও তারা পুনরায় চেষ্টা করলে বিক্ষুদ্ধ স্থানীয়রা ইটের দেয়াল ভেঙে দেয়। তিনি উল্লেখ করেন, নামাজের ওয়াক্তা খানায় কোনো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি।

চেয়ারম্যান লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন মিডিয়ায় তাকে নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রচার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন, বিদ্যালয়ের দোকানঘর বা নামাজের ওয়াক্তা খানা ভাঙচুরের সঙ্গে তিনি বা তার কোন সহযোগী জড়িত নন। এছাড়া ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদার অভিযোগও মিথ্যা ও বানোয়াট।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক স্থানীয় একজনের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে ইটের দোকানঘর নির্মাণের চেষ্টা করছিলেন। বিদ্যালয়ে কোনো অ্যাসেম্বলি আয়োজন না হওয়ার কারণে স্থানীয়রা তাকে বারবার অভিযোগ জানিয়েছিল। এই বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে বিদ্যালয়ে গিয়ে তথ্য সংগ্রহের পর উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। তিনি বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকই মিথ্যা অভিযোগ তুলে তার বিরুদ্ধে দোষ চাপাচ্ছে।

চেয়ারম্যান দ্রুত সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দায়িত্বহীনদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় মেহেদী হাসান, আসলাম হোসেন, এরশাদ হোসেন, আনারুল ইসলাম, তোফাজ্জল হোসেনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র সাহা সংবাদদাতার সঙ্গে যোগাযোগে সাড়া দেননি। তবে এ্যাডহক কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম দাবি করেন, ভাঙচুরের দিনে তিনি উপস্থিত ছিলেন না এবং টাকা নিয়ে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগও মিথ্যা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট