1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাটখিলে মরণফাঁদ শতবর্ষী সেতু: জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হাজারো মানুষের ইরানের সঙ্গে চুক্তির চূড়ান্ত পর্যায়ে ওয়াশিংটন; ইসলামাবাদ সফরের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প শ্রীপুরে প্রেমের অভিমানে যুবকের আত্মহনন, ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার শেরপুর পুলিশ লাইন্স একাডেমিতে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত জমকালো আয়োজনে ‘দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’র ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নালিতাবাড়ীতে ‘পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব’ শীর্ষক পাঠচক্র অনুষ্ঠিত শেরপুরে ২০ এপ্রিল থেকে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু বাকেরগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও দোয়া মাহফিল রাজশাহীতে র‍্যাবের অভিযানে ৪১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার বকশীগঞ্জে ১২৫০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

সংবাদ প্রকাশের পর ডিমলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শোকজ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে
নীলফামারীর ডিমলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের শোকজ নোটিশ
সংবাদ প্রকাশের পর ডিমলার কাকিনা চাপানি মিলন ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ তিন শিক্ষককে শোকজ করেছে শিক্ষা অফিস।

নীলফামারী প্রতিনিধি:
সংবাদ প্রকাশের পর নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানি ইউনিয়নের কাকিনা চাপানি মিলন ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) স্বপন কুমার রায়সহ আরও দুই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমে বিদ্যালয়ের অনিয়ম এবং দায়িত্বে অবহেলার বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বীরেন্দ্র নাথ রায়ের স্বাক্ষরিত নোটিশে শোকজপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বীরেন্দ্র নাথ রায়।

শোকজপ্রাপ্ত অন্য দুই সহকারী শিক্ষক হলেন— লাবু ইসলাম ও পারভীন আক্তার।

গত ১১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ‘অনিয়মই যেখানে নিয়ম: ডিমলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক উপস্থিতির অভাব’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষক থাকলেও একজন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে আছেন। বাকি শিক্ষকরা দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে ভবনে তালা মেরে চলে যান। এতে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়, যা সরকারি চাকরি শৃঙ্খলা ও উপস্থিতি বিধিমালা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) স্বপন কুমার রায় দায় স্বীকার করে জানান, “আমি ওইদিন শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে ক্লাস্টার মিটিংয়ে অংশ নিয়েছিলাম। বাকিরা আমাকে না জানিয়ে বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে চলে গেছে।”

অন্যদিকে, স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দায়িত্বে অবহেলা করছেন। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ছুটি দেওয়া এখন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার প্রতি অনাগ্রহী হয়ে পড়ছে এবং সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি— কেবল শোকজ নয়, অনিয়মে জড়িত সব শিক্ষককে বদলি করে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট