1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নালিতাবাড়ীতে পিকআপভর্তি ২৭৩ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, গ্রেফতার ৩ নীলফামারী জেলার শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ড নির্বাচিত হলেন ডিমলার রওশন কবির ঝিনাইগাতীতে স্বাস্থ্য খাতে অর্থায়ন জোরদারে এমসিজিএলের ফান্ড মোবিলাইজেশন সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্তদের পুরস্কার ও সনদ বিতরণ মধুপুরে কারিতাসের দিনব্যাপী কৃষি ও খাদ্য বৈচিত্র্য মেলা অনুষ্ঠিত মধুপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ মধুপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ জলঢাকায় চাহিদার অর্ধেক মিলছে বিদ্যুৎ, লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন ডিমলায় পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত, কৃষি প্রযুক্তি প্রসারে নতুন প্রত্যাশা

আসামে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির আশঙ্কা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, শুরু নতুন বিতর্ক

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩০৭ বার পড়া হয়েছে
আসামে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির আশঙ্কা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, শুরু নতুন বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

আসাম রাজ্যে মুসলমান জনসংখ্যার হার বাড়ছে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তার দাবি, পরবর্তী আদমশুমারির পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশের আগেই রাজ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুসলিম জনগোষ্ঠীর অনুপাত উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে প্রায় ৪০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী আসামে মোট মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ৩৪ শতাংশ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে আদিবাসী অসমীয়া মুসলিম হিসেবে চিহ্নিত প্রায় ৩ শতাংশ বাদ দিলে অবশিষ্ট ৩১ শতাংশ মুসলিম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২১ সালে কোনো আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে সর্বশেষ সরকারি তথ্য হালনাগাদ নয়। তার ধারণা, ২০২৭ সালে আদমশুমারির চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে রাজ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুসলিম জনসংখ্যার হার প্রায় ৪০ শতাংশে পৌঁছানোর চিত্র উঠে আসতে পারে।

মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজ্যে অভিবাসন, নাগরিকত্ব ও পরিচয়সংক্রান্ত পুরোনো রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ককে আবারও সামনে এনেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগকে কেন্দ্র করে আসামে দীর্ঘদিন ধরেই জনসংখ্যার পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা ও মতবিরোধ চলে আসছে।

এই পূর্বাভাসকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একাংশ মনে করছেন, জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং সামাজিক সম্প্রীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে এনই

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট