1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যু: শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল, জেলাজুড়ে শোক শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল নকলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হা’ম’লা’য় গুরুতর আহত সাংবাদিক জাহাঙ্গীর ইসলামপুরে সুলতান মাহমুদ বাবুর নির্বাচনী পথসভা: ‘ভোট গণনা পর্যন্ত কেন্দ্রে থাকার আহ্বান’ ঝিনাইগাতীতে অসহায় বৃদ্ধার মাথার গোঁজার ঠাঁই করে দিল ‘জাগ্রত তরুণ সংস্থা’ গাজীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রচারণা: শ্রীপুরে শাহজাহান সজল ও ফজলুল হকের গণসংযোগ ইসলামপুরে বেনুয়ার চর বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির নাইট ফুটবল: ট্রাইবেকারে চ্যাম্পিয়ন জুয়েল একাদশ বাঘায় সরকারি কর্মচারীদের বিশাল মানববন্ধন: নতুন পে-কমিশন দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি বাঘায় তুলা চাষে ঝুঁকছেন প্রান্তিক কৃষকরা: কম খরচে অধিক লাভের স্বপ্ন

তেঁতুলিয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৯১ বার পড়া হয়েছে
তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টিআর ও কাবিখা প্রকল্পে কাজ না করেই বিল তোলার অভিযোগ — স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে।
তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টিআর ও কাবিখা প্রকল্পে কাজ না করেই বিল তোলার অভিযোগ — স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে।

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মাইদুল ইসলাম শাহ-এর বিরুদ্ধে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, কাজ না করেই বিল উত্তোলন, কমিশন গ্রহণ এবং অফিসে নিয়মিত উপস্থিত না থাকার অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কর্মকর্তা দাবি করেছেন, “আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। আমি তেঁতুলিয়া থেকে বদলির জন্য আবেদন করেছি।”

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, উপজেলার টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে বিল তোলা হচ্ছে। বাংলাবান্ধা, শালবাহান, বুড়াবুড়ি ও ভজনপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন না হলেও বিল অনুমোদন করেছেন পিআইও।

অভিযোগ রয়েছে, পিআইও তার নিজ জেলা নীলফামারী থেকে অফিস করছেন। অনেক সময় সকাল ১০টার পর অফিসে আসেন, আবার বিকেল ৩টার মধ্যেই ত্যাগ করেন। এতে সরকারি কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।

সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, দেবনগড়ের সিপাহীপাড়া সড়ক সংস্কারে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, মাগুরমারী এলাকায় ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৯৬ টাকা, বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের জায়গীরজোত তারিফের বাড়ি হতে হানিফের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারে ২ লাখ টাকা, একই ইউনিয়নের সর্দারপাড়া গুনি মুন্সির বাড়ি থেকে এমাজের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারে ৫.৬৫০ মেট্রিক টন চাল, ঝাড়ুয়াপাড়া ফজলুল হকের বাড়ি থেকে জামে মসজিদ পর্যন্ত রাস্তায় ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা, এবং ভজনপুর ডিগ্রি কলেজে মাটি ভরাটে ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রকল্পে নামমাত্র মাটি ছিটিয়ে বা ঘাস পরিষ্কার করেই বিল তোলা হয়েছে— যা প্রকল্প বাস্তবায়নের মূল উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করেছে।

যদিও কিছু প্রকল্প সভাপতি দাবি করেছেন, কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে তারা স্বীকার করেছেন যে “অফিস খরচ” বাবদ পিআইওকে টাকা দিতে হয়েছে।

তেঁতুলিয়া উপজেলা জুড়ে এই বিষয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট