
আশিকুর রহমান, গাজীপুর:ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে গাজীপুরের টঙ্গীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় কার্যকরী সভাপতি আলহাজ্ব সালাউদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালাউদ্দিন সরকার বলেন,
“জাতীয়তাবাদী শক্তির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে হাজারো নেতা-কর্মী জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করে জীবন দিয়েছেন। আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ধানের শীষ যার হাতে, আমরা তার পাশে— ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো শক্তিই আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না।”
তিনি আরও বলেন,
“এই দেশে নতুন করে আর কখনো ফ্যাসিবাদ জন্ম নেবে না। দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এখন তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ভোট দিতে। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সরকার গঠিত হবে— কোনো ষড়যন্ত্রই এই নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না।”
আলোচনা সভা শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখার ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি সরাফত হোসেন, সাবেক আহ্বায়ক ইসমাইল সিকদার বসু, গাজীপুর মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মোমেন, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন দেওয়ান, টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ মোহাম্মদ আলেক, গাছা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ, গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম রাসেল, বৃহত্তর টঙ্গী থানা বিএনপির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম সরকার, বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম লিটু, বিএম শামীম, এবং গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুর রহমান মমিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
বক্তারা বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন— এটি জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমের প্রতীক। তাঁরা আরও বলেন, রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব।
সভায় জানানো হয়, আসন্ন ৭ নভেম্বর (শুক্রবার) বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হবে, যেখানে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।