1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিগ্রীরচর বড় ঈদগাঁহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর নামাজ অনুষ্ঠিত হয় হাবিবুল্লাহনগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউপি সদস্য শাহাদৎ হোসেন বাঘায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মরিচপুরান ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সুলাইমান সিদ্দিকী সানি পঞ্চগড়ে অসহায়দের মাঝে ‘আগুন তোলা স্বপ্ন ছোঁয়া’ সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীর বাঘায় ২০০ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটালো ফেসবুক গ্রুপ ‘আমাদের বাঘা’ জলঢাকাবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক আল আমিন ইসলাম বাঘবেড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রহুল ইসলাম শেরপুরে দুই শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদের ঈদ উপহার বিতরণ

নান্দাইলে প্রশ্নপত্র সংকটে স্বেচ্ছাসেবকরা পরীক্ষায় ব্যর্থ, প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বহীনতায় ক্ষোভ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে
নান্দাইলে প্রশ্নপত্র সংকটে স্বেচ্ছাসেবকরা পরীক্ষায় ব্যর্থ, প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বহীনতায় ক্ষোভ

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের ৫৬ নং বড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষার সময় প্রশ্নপত্র সংকটের কারণে স্বেচ্ছাসেবকরা পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রোকিয়া আক্তারের দায়িত্বহীনতার কারণে পরীক্ষাকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, যা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি করেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শুরু না হওয়ায় গ্রামের স্বেচ্ছাসেবকরা উদ্বিগ্ন হন। তারা প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সরাসরি জানান, “আমি প্রশ্ন করিনি।” এ মন্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং স্বেচ্ছাসেবকরা হতবাক হয়ে পড়েন।

স্বেচ্ছাসেবীরা জানান, তারা শিক্ষা অফিসের নির্দেশনায় স্কুলে এসে পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক প্রশ্নপত্র না আনায় এবং বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত কোনো প্রশ্নপত্র না থাকার কারণে পরীক্ষা সম্ভব হয়নি।

মানবাধিকার কর্মী শাফায়েত আহমেদ বলেন, “সকালে পরীক্ষা দেখতে স্কুলে যাই, দেখি কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি শিক্ষকরা জানিয়েছিলেন, আজ তোমাদের পরীক্ষা হবে না।” পরে স্বেচ্ছাসেবকরা গ্রামবাসীর সহায়তায় শিক্ষার্থীদের স্কুলে আনার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের প্রশ্নপত্র না থাকায় পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

বিদ্যালয়ের কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের সন্তানরা পরীক্ষা দিতে এসেছে। কিন্তু শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন না করায় তারা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে। এটি শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য লজ্জাজনক।” তারা আরও দাবি করেন, প্রধান শিক্ষকের এমন দায়িত্বহীন আচরণ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রোকিয়া আক্তার বলেন, “আমরা পরীক্ষা নিচ্ছি না। সারাদেশে আন্দোলন চলছে, সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হবে না। পরীক্ষার পরিবেশ ও দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি হয়েছে। প্রশ্নপত্র সময়মতো পাওয়া যায়নি, তাই পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।”

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জানান, “সব বিদ্যালয়ে একই সময়ে পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কোনো বিদ্যালয় সেই নির্দেশনা পালন না করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট