
নিজস্ব প্রতিবেদক:
শেরপুরের শ্রীবরদীতে মাদ্রাসা পড়ুয়া এক নাবালিকা ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত মূল আসামি মো. মামুন মিয়া (২১)-কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪। একই অভিযানে অপহৃত ওই ভিকটিমকেও উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে আভিযানিক দলটি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় র্যাব-১৪ (জামালপুর) এবং র্যাব-১১ (নারায়ণগঞ্জ) এর একটি যৌথ আভিযানিক দল নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কোতোয়ালের বাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত মামুন মিয়া শেরপুর জেলার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামুন মিয়া ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে যাতায়াতের পথে প্রায়ই উত্যক্ত করত। বিষয়টি ছাত্রীর পরিবার জানতে পেরে মামুনকে নিষেধ করলে সে ক্ষিপ্ত হয়। গত ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সকালে ভিকটিম প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় মামুন তাকে জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের মা আদালতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে শ্রীবরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা রুজু হয়। মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামি মামুন পলাতক ছিল।
র্যাব-১৪, সিপিসি-১ এর সহকারী পরিচালক ও মিডিয়া অফিসার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ঘটনার পর থেকেই র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর নারায়ণগঞ্জের বউবাজার এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ভিকটিমকে উদ্ধার করার পাশাপাশি অভিযুক্ত মামুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে নিরাপদ হেফাজতে প্রদান এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।