1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চিরিরবন্দরে অর্পিত খাস পুকুরের উন্মুক্ত ডাক অনুষ্ঠিত; স্বচ্ছতায় খুশি স্থানীয়রা চাটখিলে সন্ত্রাসী হামলায় ২ যুবদল নেতা গুরুতর আহত; একজন ঢাকায় প্রেরণ ঐতিহ্যের বাকেরগঞ্জ জেলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে তৃণমূলের আস্থার প্রতীক আবদুল কাদের মোল্লা শেরপুর-৩ এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস দমনে হটলাইন চালুর ঘোষণা এমপি রুবেলের সংরক্ষিত নারী আসনে গাজীপুরে আলোচনার কেন্দ্রে বীনা চৌধুরী ভালুকায় বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা রাজশাহীতে ফিলিং স্টেশনে র‍্যাবের অভিযান: ২ লাখ টাকা জরিমানা শেরপুর-৩ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী বিএনপির মাহমুদুল হক রুবেল রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আইসিসিআর-এর ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

ঐতিহ্যের বাকেরগঞ্জ জেলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে
ঐতিহ্যের বাকেরগঞ্জ জেলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন

শাহিন হাওলাদার, বরিশাল প্রতিনিধি | ১০ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা: দক্ষিণ বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গর্ব—বাকেরগঞ্জ জেলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৯:৩০ মিনিটে “বাকেরগঞ্জ জেলা পুনরুদ্ধার কমিটি” এই কর্মসূচির আয়োজন করে, যাতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে সামাজিক সংগঠন “গর্বের বাকেরগঞ্জ”।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন মোহন এবং সঞ্চালনা করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. ফিরোজ হাওলাদার।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব

বক্তারা ইতিহাসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ১৭৪১ সালে মহতি মির্যা আগা মুহম্মদ বাকের শ্রীমন্ত নদীর তীরে বাকেরগঞ্জ বন্দর ও প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ১৭৯৭ সালে তৎকালীন ভারতের গভর্নর জেনারেল স্যার জন শোর আনুষ্ঠানিকভাবে বাকেরগঞ্জকে জেলা হিসেবে ঘোষণা করেন। দীর্ঘ প্রায় দুই শতাব্দী (১৭৯৭-১৯৯৩) ধরে বাকেরগঞ্জ একটি স্বীকৃত প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক অঞ্চল হিসেবে দক্ষিণ বাংলার কেন্দ্রবিন্দু ছিল।

তারা আরও উল্লেখ করেন, ১৮০১ সালের ভূমিকম্পের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হওয়ায় জেলা সদর বরিশালে স্থানান্তর করা হলেও বাকেরগঞ্জ জেলার নাম ও মর্যাদা এতদিন বহাল ছিল।

নাম বিলুপ্তি নিয়ে বিতর্ক

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি একটি অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বাকেরগঞ্জ জেলার নাম বিলুপ্ত করা হয় এবং এটিকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয়। তাদের দাবি, সরকারি বিধি অনুযায়ী নিকার (NICAR) কমিটির অনুমোদন ছাড়াই এই পরিবর্তন করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত কোনো প্রজ্ঞাপনও প্রকাশ করা হয়নি, যা প্রশাসনিকভাবে অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ।

উপস্থিত নেতৃবৃন্দ

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন—বাকেরগঞ্জ কল্যাণ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক খান, দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমিন খান দুলাল, গর্বের বাকেরগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুল আরেফিন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মিজানুর রহমান মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, সম্পাদক প্রকৌশলী গোলাম কাওসার, নুরুল ইসলাম সাকিব, মো. রবিউল ইসলাম, মানিক সিকদার জয়সহ আরও অনেকে।

এছাড়া বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শাখার সমন্বয়কবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক বাকেরগঞ্জবাসী এই মানববন্ধনে অংশ নিয়ে তাদের প্রাণের দাবি তুলে ধরেন।

দাবি ও উপসংহার

মানববন্ধন থেকে বক্তারা বর্তমান সরকারের প্রতি দ্রুত বাকেরগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক স্বীকৃতি ও মর্যাদা পুনর্বহালের জন্য জোর দাবি জানান। তারা মনে করেন, এটি কেবল একটি প্রশাসনিক দাবি নয়, বরং দক্ষিণ বাংলার কোটি মানুষের আবেগ ও ঐতিহ্যের অধিকার।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট