1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিক্ষার্থীশূন্য বিদ্যালয়: ৫ শিক্ষিকার বিপরীতে ছাত্র মাত্র ৪ জন! জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬: নোয়াখালী জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান চাটখিল মহিলা ডিগ্রি কলেজ পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে জমি দখল ও আদালতের রায় অমান্যের অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলন শ্রীপুরে কাভার্ড ভ্যানচাপায় স্কুলছাত্রের করুণ মৃত্যু পাদ্রিশিবপুরে দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ বকশীগঞ্জে বৃদ্ধের বাড়িতে তৃতীয় দফায় হামলা ও ভাঙচুর: নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার চাটখিলে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ বকশীগঞ্জে নাশকতার মামলায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৯ নেতা কারাগারে ইসলামপুরে অবৈধ দখলমুক্ত ও জমি উদ্ধারের দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন মধুপুরে শালবন রক্ষার দাবিতে সচেতন নাগরিক কমিটির মানববন্ধন

শিক্ষার্থীশূন্য বিদ্যালয়: ৫ শিক্ষিকার বিপরীতে ছাত্র মাত্র ৪ জন!

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

অস্তিত্ব সংকটে বাকেরগঞ্জের ১৭১ নং দক্ষিণ ভরপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

শাহিন হাওলাদার, বরিশাল প্রতিনিধি | ২০ এপ্রিল, ২০২৬

বরিশাল: নামেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্তু বাস্তবে সেখানে শিক্ষার্থীর দেখা মেলাই ভার। বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৭১ নং দক্ষিণ ভরপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম এখন চরম অস্তিত্ব সংকটের মুখে। ৫ জন শিক্ষিকা কর্মরত থাকলেও পুরো বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪ জনে!

​যেন শিক্ষক আছে তো শিক্ষার্থী নেই

​বিদ্যালয়টির বর্তমান চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এক অদ্ভুত সমীকরণ। ৫ জন শিক্ষিকার বিপরীতে বর্তমানে পাঠদান করার মতো শিক্ষার্থী আছে মাত্র ৪ জন। শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা নিম্নরূপ:

  • প্রথম শ্রেণি: ১ জন
  • দ্বিতীয় শ্রেণি: ১ জন
  • তৃতীয় শ্রেণি: ০ জন (কোনো শিক্ষার্থী নেই)
  • চতুর্থ শ্রেণি: ১ জন
  • পঞ্চম শ্রেণি: ১ জন

​জরাজীর্ণ পরিবেশ ও অবকাঠামোর অভাব

​সরেজমিনে দেখা গেছে, বিদ্যালয়টির কোনো যথাযথ ভবন নেই। জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে শিক্ষিকারা স্কুলে এলেও উপযুক্ত পরিকাঠামো না থাকায় পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি স্কুল হওয়া সত্ত্বেও ন্যূনতম শিক্ষার পরিবেশ ও ভবন না থাকায় তারা সন্তানদের এখানে পাঠাতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। ফলে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ঝুঁকে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা।

​শিক্ষিকাদের উপস্থিতি ও কর্মচাঞ্চল্যহীনতা

​কাগজে-কলমে ৫ জন শিক্ষিকা নিযুক্ত থাকলেও সরেজমিনে মাত্র ২ জন শিক্ষিকার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। শিক্ষার্থী না থাকায় উপস্থিত শিক্ষিকাদের মধ্যেও দীর্ঘমেয়াদী হতাশা দেখা গেছে। পাঠদানের চাপ না থাকায় তারা এক প্রকার অলস সময় পার করছেন।

​স্থানীয়দের ক্ষোভ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

​একটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন করুণ দশা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন নাগরিকরা প্রশ্ন তুলেছেন—

১. কেন বছরের পর বছর একটি সরকারি স্কুলে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে না?

২. সরকারি কোষাগার থেকে বেতন নিলেও শিক্ষার্থী ফিরিয়ে আনতে কেন কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না?

​”উপযুক্ত ভবন ও পরিবেশ না থাকায় আমরা বাচ্চাদের পাঠাতে ভয় পাই। স্কুলটি এখন নামেই টিকে আছে।”

স্থানীয় এক অভিভাবক

 

​সরকারি সম্পদের অপচয় রোধে এবং শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে উপজেলা শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট