1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিগ্রীরচর বড় ঈদগাঁহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর নামাজ অনুষ্ঠিত হয় হাবিবুল্লাহনগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউপি সদস্য শাহাদৎ হোসেন বাঘায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মরিচপুরান ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সুলাইমান সিদ্দিকী সানি পঞ্চগড়ে অসহায়দের মাঝে ‘আগুন তোলা স্বপ্ন ছোঁয়া’ সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীর বাঘায় ২০০ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটালো ফেসবুক গ্রুপ ‘আমাদের বাঘা’ জলঢাকাবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক আল আমিন ইসলাম বাঘবেড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রহুল ইসলাম শেরপুরে দুই শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদের ঈদ উপহার বিতরণ

নান্দাইলে অসহায় মিরাজ আলির মুখে হাসি ফুটলো প্রশাসনের উদ্যোগে

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে
নান্দাইলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অসহায় মিরাজ আলির হাতে গরু তুলে দিচ্ছেন ইউএনও সারমিনা সাত্তার
নান্দাইলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অসহায় মিরাজ আলির হাতে গরু তুলে দিচ্ছেন ইউএনও সারমিনা সাত্তার

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলসভাবে কাজ করছে নান্দাইল উপজেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় উপজেলার অসহায় বাসিন্দা মিরাজ আলিকে একটি গরু প্রদান করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সারমিনা সাত্তার। মঙ্গলবার সকালে এ কার্যক্রমে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মিজানুল ইসলাম আকন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে স্বাভাবিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন মিরাজ আলি। কোনো উপায় না দেখে তিনি ভিক্ষাবৃত্তিকে জীবিকার মাধ্যম হিসেবে বেছে নিতে বাধ্য হন। তবে প্রশাসনের এ উদ্যোগ তার জীবনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। গরু হাতে পেয়ে মিরাজ আলি জানান, তিনি আর কখনো ভিক্ষায় ফিরতে চান না। বরং গরু লালন-পালন করে নিজের ও পরিবারের জন্য স্থায়ী আয়ের পথ তৈরি করতে চান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারমিনা সাত্তার বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো নান্দাইল থেকে ভিক্ষাবৃত্তি নির্মূল করা। শুধু মিরাজ আলি নয়, এ কর্মসূচির মাধ্যমে ধীরে ধীরে আরও অসহায় মানুষকে স্বাবলম্বী করে তোলা হবে। আমরা চাই—কেউ যেন আর ভিক্ষায় না যায়, বরং নিজস্ব কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করে।”

প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, সমাজের বিত্তবানরা যদি সরকারি কার্যক্রমের পাশাপাশি এগিয়ে আসেন, তবে অচিরেই নান্দাইল থেকে ভিক্ষাবৃত্তি পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হবে। তারা বলেন, শুধু প্রশাসন নয়, সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমেই এ পরিবর্তন আরও দ্রুত সম্ভব।

অসহায় মিরাজ আলির হাতে একটি গরু তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে যেমন তার জীবনে নতুন আশার আলো দেখা দিয়েছে, তেমনি প্রশাসনের এ কার্যক্রম সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়েছে। এ উদ্যোগ প্রমাণ করেছে, সহযোগিতা ও সদিচ্ছা থাকলে কোনো মানুষকে অসহায় হয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করতে হয় না।

স্থানীয়রা বলছেন, গরু লালন-পালনের মাধ্যমে মিরাজ আলি যদি সফলভাবে স্বনির্ভর হতে পারেন, তবে তা অন্য অসহায় মানুষদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে। কারণ এ ধরনের কর্মসূচি কেবল ব্যক্তির জীবন পরিবর্তন করে না, বরং গোটা সমাজকে দারিদ্র্য ও ভিক্ষাবৃত্তিমুক্ত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

সব মিলিয়ে, নান্দাইল উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ শুধু এক অসহায় মানুষের জীবনে নয়, বরং সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন ও ইতিবাচক রূপান্তরের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট