1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নালিতাবাড়ীতে কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট: বন্ধ কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল এখন সাপ-বিচ্ছুর আস্তানা! নরসিংদীতে সাংবাদিকের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে গরু চুরি, জনতার হাতে আটক ৩ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সাথে সাহেব বাজারের কসাইদের বাগ্‌বিতণ্ডা, থানায় অভিযোগ খামেনির মৃত্যুতে নিন্দা ও প্রতিশোধের শপথ ইরানের: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে যা বলা হলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত: তেহরানে ইসরায়েলি বাহিনীর নতুন হা‘ম‘লা, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি মারা গেছেন বলে দাবি ট্রাম্পের, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে নিশ্চিতকরণ ইসলামপুরে তৃণমূলের আস্থার প্রতীক হামিদুর রহমান মলিন: উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় সাধারণ মানুষ শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হলেন নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই মাসুদুর রহমান তেঁতুলিয়ায় এইচ আর অটো ফিলিং স্টেশনে অবৈধ রিফিল: রান্নার সিলিন্ডারে গাড়ির গ্যাস ভরে চলছে রমরমা ব্যবসা শেরপুরে ৩০ বোতল ফে‘নসি‘ডি‘লসহ মা‘দ‘ক কারবারি গ্রেপ্তার

ডিমলায় তিস্তা নদীতে অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে বিশেষ অভিযান

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে
ডিমলায় তিস্তা নদীতে অবৈধ পাথর উত্তোলন রোধে উপজেলা প্রশাসন, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
ডিমলার তিস্তা নদীতে অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জব্দকৃত সরঞ্জাম নদীতে ধ্বংস করেছে।

(নীলফামারী) প্রতিনিধি:

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সীমান্তবর্তী তিস্তা নদীতে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরানুজ্জামান নেতৃত্বে টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের বার্নিলঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ইউএনও জানান, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করছিল। এর ফলে নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছিল এবং আশপাশের ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়ছিল।

অভিযানের সময় অবৈধ পাথর উত্তোলনকারীরা পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে ১২টি পাথরবোঝাই নৌকা এবং ৯টি মেশিন জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত সরঞ্জামগুলো নদীতেই ধ্বংস করা হয়। ইউএনও ইমরানুজ্জামান বলেন, “অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে। যেখানেই এমন কার্যক্রমের সন্ধান পাওয়া যাবে, সেখানেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও জানান, তিস্তা নদীর প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা এবং খনি ও খনিজ সম্পদ বিধিমালা-২০১২ সঠিকভাবে প্রয়োগ করাই অভিযানের মূল লক্ষ্য। এ ধরনের কাজ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারা এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রওশন কবির, ৫১ বিজিবির বার্নিলঘাট বিওপি ক্যাম্পের সুবেদার রফিকুল ইসলাম, এবং ডিমলা থানা পুলিশের একটি দল।

স্থানীয়রা প্রশাসনের পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তিস্তাপাড়ের বাসিন্দা আব্দুর সালাম বলেন, “অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনকারীদের কারণে আমরা চরম ভোগান্তিতে ছিলাম। তারা শুধু নদীর ক্ষতিই নয়, আমাদের ফসলি জমিও নষ্ট করছে।”

অন্য বাসিন্দা সোলেমান মিয়া বলেন, “নিয়মিত অভিযান চালালে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট আর নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর তুলতে পারবে না। এতে তিস্তা নদীর সম্পদ সংরক্ষিত হবে, ভাঙন কমবে এবং পরিবারগুলোও সুরক্ষিত থাকবে।”

এর আগে স্থানীয় দৈনিকগুলোতে ‘তিস্তাতীরে কান্না, সিন্ডিকেটের উৎসব’ ও ‘তিস্তায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনে ভাঙন বেড়েছে’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে স্থানীয়ভাবে অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জোরদার হয়।

স্থানীয়রা আশা করছেন, নিয়মিত অভিযান চালানো হলে নদীর পরিবেশ রক্ষা হবে, তিস্তা নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং ডিমলার পাথর উত্তোলন সিন্ডিকেটও দমন করা সম্ভব হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট