1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঝিনাইগাতীতে শিশু ইলিয়াছ হ/ত্যা মামলার অন্যতম আসামি নাসির উদ্দিন র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার শ্রীবরদীতে ব্র্যাকের উদ্যোগে ৩২ কিশোরীকে হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রসায়ন ক্লাস নিলেন ইউএনও বকশীগঞ্জে সাত দিনেও খোঁজ মেলেনি দুই ছাত্রীর, থানায় অভিযোগ মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধ: আতঙ্কে দিন কাটছে মালেকের দরিদ্র পরিবারের অপপ্রচার ও উসকানির প্রতিবাদে টঙ্গীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল বাঘায় ব্র্যাকের উদ্যোগে ১৫ কিশোরীকে মুরগির বাচ্চা ও নগদ অর্থ সহায়তা শেরপুরে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবিতে শিশু অপহরণ: প্রধান আসামি আশুলিয়া থেকে গ্রেফতার নালিতাবাড়ীতে পিকআপভর্তি ২৭৩ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, গ্রেফতার ৩ নীলফামারী জেলার শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ড নির্বাচিত হলেন ডিমলার রওশন কবির

পঞ্চগড়ে পুত্রবধুকে মারপিট: শশুর-শাশুড়ি জেল হাজতে

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে
যৌতুকের অভিযোগে পুত্রবধুকে মারপিট: আদালতের আদেশে পঞ্চগড়ে শশুর-শাশুড়ি জেল হাজতে
যৌতুকের অভিযোগে পুত্রবধুকে মারপিট: আদালতের আদেশে পঞ্চগড়ে শশুর-শাশুড়ি জেল হাজতে

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:
পঞ্চগড়ে যৌতুকের দাবিতে পুত্রবধুকে মারপিট করার অভিযোগে শশুর ও শাশুড়িকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পঞ্চগড়-১ আমলি আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন। আসামিরা হলেন—পঞ্চগড় সদরের উত্তর জালাসি এলাকার মৃত নাসির উদ্দিনের ছেলে ফয়েজ উদ্দিন (৪৫) এবং তার স্ত্রী সামিমা আক্তার (৪০)। জানা গেছে, ফয়েজ উদ্দিন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত আছেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী কামরুজ্জামান রাশেদ জানান, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন ও সামিমা আক্তার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকায় আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী মারিয়াম আক্তার মৌ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় তার স্বামী আবু সারোয়ার সিজানসহ শশুর-শাশুড়িকে আসামি করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রেমের সম্পর্ক থেকে গত বছরের অক্টোবরে এ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে মারিয়াম আক্তার ও আবু সারোয়ার সিজানের বিয়ে হয়। পরে পারিবারিকভাবে জানাজানি হলে কাজীর মাধ্যমে ৬ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে পুনরায় বিয়ে সম্পন্ন হয়।

অভিযোগে বলা হয়, যৌতুকের টাকার জন্য বারবার চাপ সৃষ্টি করা হতো। প্রথমে ৪ লাখ টাকা দিয়ে জামাইয়ের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়, কিন্তু কাজ না করে টাকা খরচ করে ফেলায় পুনরায় ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন মারিয়াম।

সবশেষ গত ২১ সেপ্টেম্বর সকালে যৌতুকের টাকা বাবার বাড়ি থেকে আনার জন্য চাপ দেওয়া হলে তিনি অসম্মতি জানান। এসময় স্বামী, শশুর ও শাশুড়ি মিলে তাকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে ঘরে আটকে রাখে। পরে ভুক্তভোগীর চাচা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে বাদী পক্ষের আইনজীবী জানান, আদালত অভিযোগের ভিত্তিতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট