1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নালিতাবাড়ীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে যুবদল-ছাত্রদলের বিশাল বিক্ষোভ ও সমাবেশ শেরপুরে ব্র্যাকের ‘স্বপ্ন সারথী’ প্রকল্পের ১১ সদস্যের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ গাসিক ৫১ নম্বর ওয়ার্ডে বর্জ্য সংগ্রহের দায়িত্ব পেল মেসার্স জান্নাতুল এন্টারপ্রাইজ মধুপুরে ৩৯ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা, কার্যক্রমের উদ্বোধন মধুপুরে ২০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মনসুর গ্রেফতার জামালপুর সীমান্তে শূন্যরেখা থেকে মাটি কেটে নিচ্ছে ভারতীয়রা! ৪নং চর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত চকরাজাপুর বাজার রোড এসবি করণ: এমপিকে ধন্যবাদ জানাল এলাকাবাসী রাজশাহীর আবাসন খাতে চরম বিপর্যয়: কর ও সুদের হার না কমালে দেউলিয়া হবেন ব্যবসায়ীরা বকশীগঞ্জে বন্য হাতির আক্রমণে বৃদ্ধের মৃত্যু, পাহাড়ে মিলল ক্ষতবিক্ষত মরদেহ

রাজশাহীতে প্রেমের বিয়ের পর নির্মম পরিণতি, স্বজনদের দাবি পরিকল্পিত হত্যা

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীতে প্রেম করে বিয়ের পর নিহত বর্ষা খাতুনের ছবি
প্রেম করে বিয়ে, কিন্তু শেষ হলো এক নির্মম পরিণতিতে—রাজশাহীতে বর্ষা খাতুনের মৃত্যু ঘিরে রহস্য, পরিবারের দাবি এটি পরিকল্পিত হত্যা।


আবুল হাশেম, রাজশাহী ব্যুরোঃ

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার জামগ্রাম এলাকার মনিয়া আক্তার বর্ষা খাতুন (২২) প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন দুর্গাপুর উপজেলার মৃত আয়ুব মন্ডলের ছেলে নাহিদ হোসেনকে (২৭)। কিন্তু সেই প্রেমের সংসার টিকলো না, শেষ হলো এক নির্মম পরিণতিতে। পরিবারের দাবি—বর্ষাকে হত্যা করা হয়েছে।

প্রায় চার বছর আগে দুই পরিবারের অমতে পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন নাহিদ ও বর্ষা। সংসারে এক পুত্রসন্তানও জন্ম নেয়। তবে বিয়ের শুরু থেকেই নাহিদের পরিবারের হাতে নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন বর্ষা। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বহুবার বাবার বাড়িতে ফিরে আসলেও শ্বশুরপক্ষের চাপে আবারও ফিরে যেতে বাধ্য হন তিনি।

গত ১০ সেপ্টেম্বর আবারও বর্ষার ওপর নেমে আসে অমানবিক নির্যাতন। এরপর তিনি বিষপান করেন বলে দাবি শ্বশুরপক্ষের। তবে বর্ষার পরিবারের অভিযোগ—তাকে জোর করে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে থাকলেও তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি। বরং ফোনে ডেকে পাঠানো হয় বর্ষার পিতাকে। পরে তিনি মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটলেও কর্তব্যরত চিকিৎসক বর্ষাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহত বর্ষার পিতা মনিরুল ইসলাম চারজনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেছেন। আসামিরা হলেন—স্বামী নাহিদ ইসলাম, শাশুড়ি রেশমা বেগম, দেবর শান্ত এবং মামা আজাদ।

বর্ষার পরিবার অভিযোগ করেছে, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যা। নিহতের মা নাজলী বেগম বলেন, “আমার মেয়েকে তারা দীর্ঘদিন নির্যাতন করেছে। চিকিৎসা না দিয়ে ফেলে রেখেছে। এটা সুস্পষ্ট হত্যাকাণ্ড।”

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম জানান, মামলাটি তদন্তাধীন এবং আসামিদের ধরতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।

এভাবেই শেষ হলো একটি প্রেমের সংসারের গল্প, রেখে গেল তিন বছরের এক অনাথ সন্তান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট