1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিগ্রীরচর বড় ঈদগাঁহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর নামাজ অনুষ্ঠিত হয় হাবিবুল্লাহনগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউপি সদস্য শাহাদৎ হোসেন বাঘায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মরিচপুরান ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সুলাইমান সিদ্দিকী সানি পঞ্চগড়ে অসহায়দের মাঝে ‘আগুন তোলা স্বপ্ন ছোঁয়া’ সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীর বাঘায় ২০০ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটালো ফেসবুক গ্রুপ ‘আমাদের বাঘা’ জলঢাকাবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক আল আমিন ইসলাম বাঘবেড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রহুল ইসলাম শেরপুরে দুই শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদের ঈদ উপহার বিতরণ

শেরপুরে সিজার অপারেশনে প্রসূতির মৃত্যু: উত্তেজিত জনতা এভারকেয়ার হাসপাতাল ঘেরাও, চিকিৎসকের অবহেলা অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭৪ বার পড়া হয়েছে
শেরপুর এভারকেয়ার হাসপাতালে সিজার মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজিত জনতা হাসপাতাল ঘেরাও করছে
শেরপুরের এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে জনতার ভিড়, যেখানে সিজার অপারেশনে প্রসূতির মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

শেরপুর সংবাদদাতা মুহাম্মদ আবু হেলাল:
শেরপুর শহরের বেসরকারি এভারকেয়ার হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় এক প্রসূতির মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জনতা টানটান উত্তেজনার মধ্যে ঘেরাও ও ভাঙচুর চালায়।

নিহত প্রসূতির নাম আয়াশা আক্তার (২৫)। তিনি সদর উপজেলার কুসুমহাটি গ্রামের জাহিদ মিয়ার স্ত্রী। শুক্রবার বিকেলে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় তাকে সন্তান প্রসবের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্বজনদের অভিযোগ, আয়াশা নিজে হেঁটে অপারেশন থিয়েটারে প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকরা জানান, রোগী মারা গেছেন। সিজারার সময় কি সমস্যা হয়েছিল বা এনেস্থেশিয়া কে প্রদান করেছিলেন—এই বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো সঠিক তথ্য দিতে পারেনি।

নিহতের চাচাতো ভাই জাকির হোসেন অভিযোগ করেন, “ডা. লুৎফর রহমানের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে আমার ভাইয়ের বউ মারা গেছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”

প্রসূতির শ্বশুর মোহাম্মদ উজ্জল মিয়া বলেন, “আমার পুত্রবধূ জীবিত অবস্থায় অপারেশন থিয়েটারে গেলেও লাশ হয়ে ফিরেছে। বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমরা হাসপাতাল ছাড়ব না।”

মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত মানুষ হাসপাতালে জড়ো হন। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত উত্তেজিত জনতা হাসপাতাল ঘেরাও করে রাখে এবং অভিযুক্ত চিকিৎসকদের গ্রেফতারের দাবি জানায়।

শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, “প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রমাণ মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সদর থানার ওসি জোবায়দুল আলম জানান, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই সময় সেনাবাহিনীর একটি টহল দলও হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করে।
নিহত প্রসূতির নবজাতক কন্যা বর্তমানে হাসপাতালের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. লুৎফর রহমান ও এনেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ ডা. জসীম উদ্দীনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

শেরপুরজুড়ে ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বেসরকারি হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা সেবা ও প্রশাসনিক তদারকি আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট