1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যু: শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল, জেলাজুড়ে শোক শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল নকলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হা’ম’লা’য় গুরুতর আহত সাংবাদিক জাহাঙ্গীর ইসলামপুরে সুলতান মাহমুদ বাবুর নির্বাচনী পথসভা: ‘ভোট গণনা পর্যন্ত কেন্দ্রে থাকার আহ্বান’ ঝিনাইগাতীতে অসহায় বৃদ্ধার মাথার গোঁজার ঠাঁই করে দিল ‘জাগ্রত তরুণ সংস্থা’ গাজীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রচারণা: শ্রীপুরে শাহজাহান সজল ও ফজলুল হকের গণসংযোগ ইসলামপুরে বেনুয়ার চর বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির নাইট ফুটবল: ট্রাইবেকারে চ্যাম্পিয়ন জুয়েল একাদশ বাঘায় সরকারি কর্মচারীদের বিশাল মানববন্ধন: নতুন পে-কমিশন দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি বাঘায় তুলা চাষে ঝুঁকছেন প্রান্তিক কৃষকরা: কম খরচে অধিক লাভের স্বপ্ন

রাজশাহীতে ভুয়া শিক্ষা সনদ দিয়ে দলিল লেখকের লাইসেন্স বাতিল, বোর্ডে তদন্ত শুরু

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড ভুয়া সনদ দিয়ে দলিল লেখকের লাইসেন্স প্রদান নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

আবুল হাশেম, রাজশাহী:
রাজশাহীতে ভুয়া শিক্ষা সনদ ব্যবহার করে দলিল লেখকের লাইসেন্স করার অভিযোগে পবা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক শাহীন আলী এর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। জেলা রেজিস্ট্রার আব্দুর রকিব সিদ্দিক বুধবার (১২ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, শাহীন আলী তার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় একটি শিক্ষার্থী সনদ যাচাই না করে তা ভিত্তি করে দলিল লেখকের লাইসেন্স প্রদান করেছিলেন। পরে পবা সাব-রেজিস্ট্রার সনদটি শিক্ষা বোর্ডে যাচাই করার জন্য পাঠালে প্রথমে বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ভুলবশত “সঠিক” বলে প্রত্যয়ন দেন। এরপর সাব-রেজিস্ট্রার নিজেই সনদটি যাচাই করে ডেপুটি কন্ট্রোলার মো. মুনজুর রহমান খান নিশ্চিত করেন যে সনদটি ভুয়া

এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে পবা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে। ভুয়া সনদে উল্লেখ ছিল—রোল নং ৬২৩৭১৩, রেজিস্ট্রেশন নং ৬১৭৩৮২, পাশের সন ১৯৯৭, বিদ্যালয় দারুশা উচ্চ বিদ্যালয়। শাহীন আলী এই সনদ ব্যবহার করে দলিল লেখকের লাইসেন্স প্রদান করেন।

সাব-রেজিস্ট্রার শাহীন আলী জানান, প্রথমে অনলাইন ও মোবাইল যাচাই করে সন্দেহ হওয়ায় সনদ শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়। প্রথম যাচাইতে “সঠিক” প্রত্যয়ন পাওয়ায় সন্দেহ আরও বৃদ্ধি পায়। পুনঃযাচাইয়ে সনদটি ভুয়া প্রমাণিত হয় এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।

প্রথম যাচাইয়ের সময় বোর্ডের তিন কর্মকর্তা—রেকর্ড শাখা অফিসার আলমগীর হোসেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফারজানা লতা এবং মিন্টু—এর সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে সনদটি ভুলক্রমে “সঠিক” বলে প্রত্যয়ন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ.ন.ম. মোফাখখারুল ইসলাম বলেন,

“ঘটনা সম্পর্কে জানার পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

শিক্ষা বোর্ডের অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা যায়, এই ধরনের অনিয়ম বোর্ডের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং প্রয়োজন দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট