1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নালিতাবাড়ীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে যুবদল-ছাত্রদলের বিশাল বিক্ষোভ ও সমাবেশ শেরপুরে ব্র্যাকের ‘স্বপ্ন সারথী’ প্রকল্পের ১১ সদস্যের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ গাসিক ৫১ নম্বর ওয়ার্ডে বর্জ্য সংগ্রহের দায়িত্ব পেল মেসার্স জান্নাতুল এন্টারপ্রাইজ মধুপুরে ৩৯ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা, কার্যক্রমের উদ্বোধন মধুপুরে ২০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মনসুর গ্রেফতার জামালপুর সীমান্তে শূন্যরেখা থেকে মাটি কেটে নিচ্ছে ভারতীয়রা! ৪নং চর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত চকরাজাপুর বাজার রোড এসবি করণ: এমপিকে ধন্যবাদ জানাল এলাকাবাসী রাজশাহীর আবাসন খাতে চরম বিপর্যয়: কর ও সুদের হার না কমালে দেউলিয়া হবেন ব্যবসায়ীরা বকশীগঞ্জে বন্য হাতির আক্রমণে বৃদ্ধের মৃত্যু, পাহাড়ে মিলল ক্ষতবিক্ষত মরদেহ

রাজশাহীতে ভুয়া শিক্ষা সনদ দিয়ে দলিল লেখকের লাইসেন্স বাতিল, বোর্ডে তদন্ত শুরু

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড ভুয়া সনদ দিয়ে দলিল লেখকের লাইসেন্স প্রদান নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

আবুল হাশেম, রাজশাহী:
রাজশাহীতে ভুয়া শিক্ষা সনদ ব্যবহার করে দলিল লেখকের লাইসেন্স করার অভিযোগে পবা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক শাহীন আলী এর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। জেলা রেজিস্ট্রার আব্দুর রকিব সিদ্দিক বুধবার (১২ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, শাহীন আলী তার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় একটি শিক্ষার্থী সনদ যাচাই না করে তা ভিত্তি করে দলিল লেখকের লাইসেন্স প্রদান করেছিলেন। পরে পবা সাব-রেজিস্ট্রার সনদটি শিক্ষা বোর্ডে যাচাই করার জন্য পাঠালে প্রথমে বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ভুলবশত “সঠিক” বলে প্রত্যয়ন দেন। এরপর সাব-রেজিস্ট্রার নিজেই সনদটি যাচাই করে ডেপুটি কন্ট্রোলার মো. মুনজুর রহমান খান নিশ্চিত করেন যে সনদটি ভুয়া

এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে পবা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে। ভুয়া সনদে উল্লেখ ছিল—রোল নং ৬২৩৭১৩, রেজিস্ট্রেশন নং ৬১৭৩৮২, পাশের সন ১৯৯৭, বিদ্যালয় দারুশা উচ্চ বিদ্যালয়। শাহীন আলী এই সনদ ব্যবহার করে দলিল লেখকের লাইসেন্স প্রদান করেন।

সাব-রেজিস্ট্রার শাহীন আলী জানান, প্রথমে অনলাইন ও মোবাইল যাচাই করে সন্দেহ হওয়ায় সনদ শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়। প্রথম যাচাইতে “সঠিক” প্রত্যয়ন পাওয়ায় সন্দেহ আরও বৃদ্ধি পায়। পুনঃযাচাইয়ে সনদটি ভুয়া প্রমাণিত হয় এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।

প্রথম যাচাইয়ের সময় বোর্ডের তিন কর্মকর্তা—রেকর্ড শাখা অফিসার আলমগীর হোসেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফারজানা লতা এবং মিন্টু—এর সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে সনদটি ভুলক্রমে “সঠিক” বলে প্রত্যয়ন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ.ন.ম. মোফাখখারুল ইসলাম বলেন,

“ঘটনা সম্পর্কে জানার পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

শিক্ষা বোর্ডের অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা যায়, এই ধরনের অনিয়ম বোর্ডের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং প্রয়োজন দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট