1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিগ্রীরচর বড় ঈদগাঁহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর নামাজ অনুষ্ঠিত হয় হাবিবুল্লাহনগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউপি সদস্য শাহাদৎ হোসেন বাঘায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মরিচপুরান ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সুলাইমান সিদ্দিকী সানি পঞ্চগড়ে অসহায়দের মাঝে ‘আগুন তোলা স্বপ্ন ছোঁয়া’ সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীর বাঘায় ২০০ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটালো ফেসবুক গ্রুপ ‘আমাদের বাঘা’ জলঢাকাবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক আল আমিন ইসলাম বাঘবেড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রহুল ইসলাম শেরপুরে দুই শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদের ঈদ উপহার বিতরণ

শ্রীপুরের আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর আছে, মানুষ নেই; সন্ধ্যায় মাদক সেবন চরম উদ্বেগের কারণ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে
“শ্রীপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ফাঁকা ঘর, তালাবদ্ধ ঘর ও ঝোপঝাড়ের দৃশ্য”
শ্রীপুরের নয়াপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পে অধিকাংশ ঘর ফাঁকা; সন্ধ্যায় মাদকসেবনের কারণে স্থানীয়দের উদ্বেগ বেড়েছে।

আলমগীর হোসেন সাগর
স্টাফ রিপোর্টার:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নয়াপাড়া এলাকায় সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলোতে অধিকাংশ পরিবার বসবাস না করায় চরম শূন্যতার ছবি ফুটে উঠেছে। শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, প্রকল্পের অধিকাংশ ঘরের দরজায় ঝুলছে তালা, উঠানে জন্মেছে ঝোপঝাড়, এবং সন্ধ্যার পর মাদকসেবীদের আড্ডা স্থানীয়দের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নয়াপাড়া গ্রামে নির্মিত ঢাকা বিভাগের বৃহত্তম আশ্রয়ণ প্রকল্পে ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ ৮ একর ৯ শতাংশ জমির ওপর ১৪২টি পাকাঘর নির্মাণ করা হয়। উদ্বোধনের পর সুবিধাভোগীদের মধ্যে ঘর ও দুই শতাংশ জমির দলিল হস্তান্তর করা হলেও, কয়েক মাসের মধ্যে অধিকাংশ পরিবার অন্যত্র চলে যান। বর্তমানে ৬৭টি ঘর তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে, ৭৫টি ঘরে নিয়মিত বাস হলেও বাকি ঘরগুলোতে কেউ কেউ মাঝেমধ্যে আসে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ঘরগুলোতে বসবাস না করার কারণ হলো কাজের সুযোগ ও শিক্ষা-সুবিধার অভাব। প্রকৃত ভূমিহীনরা দাবি করেছেন, বারবার আবেদন সত্ত্বেও তারা ঘর পাননি। বরাদ্দপ্রাপ্ত অনেকের নিজস্ব বাড়িঘর থাকায় প্রকল্পের ঘরগুলো তালাবদ্ধ রেখেছেন। উদাহরণ হিসেবে নগরহাওলা গ্রামের কাজল মিয়ার ৩৩ নম্বর ঘরের নাম উল্লেখ করা হয়।

নয়াপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের সভাপতি আব্দুল লতিফের স্ত্রী নাজমা আক্তার জানিয়েছেন, রাতের বেলা তালাবদ্ধ ঘরের বারান্দায় মাদকসেবীদের উপস্থিতি প্রকল্প এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করছে। এছাড়া মসজিদের ইমামের বেতন পরিশোধের দায়িত্ব অল্প কয়েকজন বাসিন্দার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তিনি দাবি করেছেন, ফাঁকা ঘরগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে পুনর্বণ্টন করা হোক।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজীব আহমেদ বলেন, সরকারি বরাদ্দে স্কুল নির্মাণ করা হয়নি, এটি ব্যক্তি উদ্যোগে হয়েছে। কেউ অনিয়ম করে ঘর নিয়েছেন কি না, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তদারকি বাড়ানো, অনিয়ম তদন্ত এবং ফাঁকা ঘরগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে পুনর্বণ্টন জরুরি। না হলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য—ভূমিহীনদের পুনর্বাসন—সম্পূর্ণ ব্যাহত হতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট