1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডিগ্রীরচর বড় ঈদগাঁহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর নামাজ অনুষ্ঠিত হয় হাবিবুল্লাহনগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউপি সদস্য শাহাদৎ হোসেন বাঘায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মরিচপুরান ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সুলাইমান সিদ্দিকী সানি পঞ্চগড়ে অসহায়দের মাঝে ‘আগুন তোলা স্বপ্ন ছোঁয়া’ সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীর বাঘায় ২০০ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটালো ফেসবুক গ্রুপ ‘আমাদের বাঘা’ জলঢাকাবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক আল আমিন ইসলাম বাঘবেড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রহুল ইসলাম শেরপুরে দুই শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদের ঈদ উপহার বিতরণ

শেরপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

মাহফুজুর রহমান সাইমন, শেরপুর প্রতিনিধি: জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বে থেকেও চরম অনীহা, অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার অভিযোগ উঠেছে শেরপুর জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে তাকে শেরপুর জেলায় নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদায়ন করা হয়। এর আগে তিনি টানা চার বছরেরও বেশি সময় ময়মনসিংহ জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। তুলনামূলকভাবে ছোট জেলা শেরপুরে পদায়নের পর থেকেই তার দায়িত্ব পালনে অনীহা ও অবহেলা দৃশ্যমান বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

স্থানীয়রা জানান, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেনের নিয়মিত অফিসে অনুপস্থিতি এখন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে তিনি শেরপুর ও জামালপুর জেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও শেরপুরে সপ্তাহে মাত্র একদিন অফিস করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৯ নভেম্বর জামালপুর জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীর পদটি বদলিজনিত কারণে শূন্য হলে তিনি প্রধান প্রকৌশলের ওপর চাপ প্রয়োগ করে জামালপুর জেলার অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দুই জেলার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি ৫ কর্মদিবসের মধ্যে মাত্র একদিন অফিস করেন। ওইদিন সকালে ময়মনসিংহ থেকে এসে অর্ধদিবস শেরপুর এবং অর্ধদিবস জামালপুরে অবস্থান করেন। বাকি চারদিন তাকে দুই জেলার কোনো অফিসেই পাওয়া যায় না। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় তিনি মূলত বদলির তদবিরেই ব্যস্ত থাকেন। দাপ্তরিক প্রয়োজনে তাকে ফোনে পাওয়া যায় না এবং পাওয়া গেলেও দুর্ব্যবহারের শিকার হতে হয় বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর কর্মসম্পাদন সহায়তা কমিটির মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হলেও শেরপুর ও জামালপুর জেলা পরিষদ ও পৌরসভার এসব কমিটির সদস্য হয়েও তিনি কোনো সভায় উপস্থিত থাকেন না। ফলে উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন, বিল ছাড় ও বাস্তবায়নে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে, যাতে দুই জেলার ঠিকাদাররা চরম বিপাকে পড়েছেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে পূর্ববর্তী মেয়াদে নকলা ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় উন্নয়ন কাজে অনিয়মের অভিযোগও শোনা যাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট