
মাহফুজুর রহমান সাইমন, শেরপুর প্রতিনিধি |
এবারের নির্বাচনে মানুষ ন্যায় এবং ইনসাফের পক্ষে রায় দিয়েছে। আমি ১ লাখ ২৭ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছি ঠিকই, কিন্তু আমি শুধু সেই ভোটারদের এমপি নই; আমি এখন শেরপুর সদর আসনের সাড়ে ৪ লাখ মানুষের এমপি।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নওহাটা আলিয়া মাদরাসা মাঠে নির্বাচন পরবর্তী নারী নেতৃবৃন্দের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শেরপুর-১ (সদর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম।
বক্তব্যের শুরুতেই সাবেক জাতীয় নেতা শহীদ কামারুজ্জামানের কথা স্মরণ করে এমপি রাশেদ বলেন, “শহীদ কামারুজ্জামানকে হত্যাকাণ্ড দেশের মানুষ মেনে নিতে পারেনি। তাঁর হত্যার প্রতিশোধ হিসেবেই মানুষ এবার দাঁড়িয়েপাল্লার পক্ষে রায় দিয়েছে। আমরা ন্যায় ও ইনসাফের পথে আছি বলেই আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই বিজয় কবুল করেছেন।”
শেরপুরের সার্বিক উন্নয়নে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “শেরপুরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও রাস্তাঘাটের আমূল পরিবর্তন করা হবে। বিশেষ করে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার করা হবে এবং শহর থেকে ইভটিজিং নির্মূল করা হবে। আমরা একটি মাদক ও জুয়ামুক্ত সুন্দর শেরপুর গড়ে তুলবো।”
নারীদের স্বাবলম্বী করার বিষয়ে তিনি আরও যোগ করেন, জেলাজুড়ে কুটির শিল্প গড়ে তোলার মাধ্যমে নারীদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
সদর উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মাওলানা নুরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুস সোবাহানের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন:
মাওলানা হাফিজুর রহমান, আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, শেরপুর জেলা শাখা।
হাফেজ মাওলানা জাকারিয়া আব্দুল বাতেন, মজলিসে শূরা সদস্য।
শফিউল ইসলাম স্বপন, বায়তুল মাল সম্পাদক, সদর উপজেলা জামায়াত।
ডা. আব্দুল মতিন, সভাপতি, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, শেরপুর জেলা।
ডা. হাসানুজ্জামান, সেক্রেটারি, পৌর শহর জামায়াত।
অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা জামায়াতের দায়িত্বশীল নারী কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।