
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১১ মার্চ, ২০২৬
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এখন পর্যন্ত ‘সবচেয়ে তীব্র ও শক্তিশালী’ সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের অভিযানে আগের চেয়ে অনেক বেশি বিধ্বংসী অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে।
ইরানের আধাসরকারি সংবাদ সংস্থা ‘ফার্স নিউজ এজেন্সি’র বরাতে জানা গেছে, আইআরজিসি তেল আবিবের দক্ষিণে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ হায়েলা স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রে দ্বিতীয়বারের মতো সফল হামলা চালিয়েছে। এছাড়া তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিল:
পশ্চিম জেরুজালেম ও হাইফার বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা।
বির ইয়াকুব সামরিক ঘাঁটি।
সংঘাতের আঁচ লেগেছে প্রতিবেশী দেশগুলোতেও। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাকের ইরবিলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং বাহরাইনের মানামায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।
ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশটির সামরিক কৌশলে বড় ধরণের পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) দাবি অনুযায়ী, ইরান তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় অর্ধেক অংশে গুচ্ছবোমা (Cluster Bomb) বা ক্লাস্টার ওয়ারহেড ব্যবহার করছে, যা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
গত কয়েক দিনের ধারাবাহিকতায় ইরান দফায় দফায় এই প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।