1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীবরদীতে ব্র্যাকের উদ্যোগে ৩২ কিশোরীকে হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রসায়ন ক্লাস নিলেন ইউএনও বকশীগঞ্জে সাত দিনেও খোঁজ মেলেনি দুই ছাত্রীর, থানায় অভিযোগ মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধ: আতঙ্কে দিন কাটছে মালেকের দরিদ্র পরিবারের অপপ্রচার ও উসকানির প্রতিবাদে টঙ্গীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল বাঘায় ব্র্যাকের উদ্যোগে ১৫ কিশোরীকে মুরগির বাচ্চা ও নগদ অর্থ সহায়তা শেরপুরে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবিতে শিশু অপহরণ: প্রধান আসামি আশুলিয়া থেকে গ্রেফতার নালিতাবাড়ীতে পিকআপভর্তি ২৭৩ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, গ্রেফতার ৩ নীলফামারী জেলার শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ড নির্বাচিত হলেন ডিমলার রওশন কবির ঝিনাইগাতীতে স্বাস্থ্য খাতে অর্থায়ন জোরদারে এমসিজিএলের ফান্ড মোবিলাইজেশন সভা অনুষ্ঠিত

মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধ: আতঙ্কে দিন কাটছে মালেকের দরিদ্র পরিবারের

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে
মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধ: আতঙ্কে দিন কাটছে মালেকের দরিদ্র পরিবারের

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দীর্ঘদিন যাবত চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার আব্দুল মালেকের পরিবার। প্রভাবশালী পক্ষের হুমকির মুখে অসহায় এই পরিবারটি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মধুপুর উত্তর মাস্টার পাড়া এলাকার আব্দুল মালেক তার পৈত্রিক জমিতে ঘর তুলে প্রায় ৫০-৬০ বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। ভুক্তভোগী আব্দুল মালেক জানান, তার মা শরভানুর নামে মধুপুর মৌজার ১৮৬৭ খতিয়ানে ১০.৩৭ শতাংশ জমি রয়েছে। সেই জমিতেই তার বাবা-মা থাকাকালীন সময় থেকে তারা ঘরবাড়ি করে থাকছেন। পরবর্তীতে তার মা ওই জমি থেকে ৪ শতাংশ জমি অন্যের নিকট বিক্রি করেন। বাকি জমি থেকে ২০১১ সালে আব্দুল মালেকের ছেলে আব্দুল্লাহ আল অপুর নামে ৪ শতাংশ জমি লিখে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে আব্দুল্লাহ আল অপু সেই ৪ শতাংশ জমি মধুপুর কলেজপাড়া এলাকার তোতা মিয়ার ছেলে হারুন অর রশিদ ও তার স্ত্রীর নিকট বিক্রি করে দেন। অপু জমি বিক্রি করার পর অবশিষ্ট ২.৩৭ শতাংশ জমিতে আব্দুল মালেকের বসতঘর রয়ে যায়।

ভুক্তভোগী আব্দুল মালেক অভিযোগ করে বলেন, হারুন অর রশিদ তার ছেলের কাছ থেকে যে অংশটি ক্রয় করেছেন, সে অংশে না গিয়ে জোরপূর্বক তার বসতঘরের অংশটি দখল করার চেষ্টা করছেন। প্রায় সময়ই হারুন অর রশিদের লোকজন এসে ঘরটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। ঘর না সরালে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও ভুক্তভোগী পরিবারটি জানান।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “আমি অতি দরিদ্র মানুষ। অটো-সিএনজি চালিয়ে এবং আমার স্ত্রী অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনোমতে আমাদের সংসার চলে। এই ঝামেলার কারণে বর্তমানে আমি অটোরিকশাও চালাতে পারছি না। আমরা এখন পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি।”

মালেক ও তার স্ত্রী আরও জানান, তাদের একটি ছেলে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে, আর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই সে পূর্ণাঙ্গ হাফেজ হবে। কিন্তু এই সংকটের কারণে তারা এখন ছেলের পড়াশোনার খরচ পর্যন্ত চালাতে পারছেন না। অসহায় এই দম্পতি বলেন, “আমরা দরিদ্র মানুষ, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব কীভাবে? আমাদের নিজেদের সংসারই চলে না, মামলা করার খরচ জোগানোর মতো টাকাও আমাদের কাছে নেই।”

ভূমিদস্যুদের কবল থেকে নিজেদের বসতভিটা রক্ষা এবং জানমালের নিরাপত্তায় ভুক্তভোগী পরিবারটি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট