1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিগ্রীরচর বড় ঈদগাঁহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর নামাজ অনুষ্ঠিত হয় হাবিবুল্লাহনগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউপি সদস্য শাহাদৎ হোসেন বাঘায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মরিচপুরান ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সুলাইমান সিদ্দিকী সানি পঞ্চগড়ে অসহায়দের মাঝে ‘আগুন তোলা স্বপ্ন ছোঁয়া’ সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীর বাঘায় ২০০ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটালো ফেসবুক গ্রুপ ‘আমাদের বাঘা’ জলঢাকাবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক আল আমিন ইসলাম বাঘবেড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রহুল ইসলাম শেরপুরে দুই শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদের ঈদ উপহার বিতরণ

ঝিনাইগাতীতে দিঘীরপাড় ফাযিল মাদরাসায় সরকারি বই বিক্রির অভিযোগে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২২০ বার পড়া হয়েছে
ঝিনাইগাতীতে দিঘীরপাড় ফাযিল মাদরাসায় সরকারি বিনামূল্যের বই বিতরণে অনিয়ম

মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর প্রতিনিধি :
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার দিঘীরপাড় ফাযিল মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য প্রেরিত সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

অভিযোগে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ওবায়দুল ইসলাম, সহকারি শিক্ষক (শিক্ষক প্রতিনিধি) নওশেদ আলী এবং অফিস সহকারি শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ ওঠে।

১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারিয়া, রাহিদুল ইসলাম, মোবাস্সার, আবু বকর সিদ্দিক, মুন্নি, রিয়াজুল ইসলামসহ অনেকে জানান, তাদের মাঝে বিনামূল্যের সরকারি বই সম্পূর্ণ বিতরণ করা হয়নি। কেজি দরে বাইরে বই বিক্রি করা হয়েছে। এখনো তাদের ২-৩টি বই হাতে আসেনি। উপরন্তু বই প্রদানের সময় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সচেতন মহল অভিযোগকে গুরুতর অনিয়ম আখ্যা দিয়ে বলেন, বিনামূল্যের সরকারি বই বিক্রি শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার হরণের শামিল। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠানে কোনো অনিয়ম হয়নি। কিছু শিক্ষার্থী হয়তো সময়মতো বই হাতে পায়নি। তবে বই বিক্রির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”

ঝিনাইগাতী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অঃদাঃ) মো. রহুল আমিন তালুকদার বলেন, “অভিযোগটি গুরুতর। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, “সরকারি বই বিনামূল্যে বিতরণের কথা। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া বা বই বিক্রি করা আইনগত অপরাধ। তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিভাবকরা বলেন, “সরকারের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে বই তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অথচ দায়িত্বশীল শিক্ষক-কর্মচারীদের এ ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

শিক্ষার্থীরা দ্রুত বাকি বই বুঝে পাওয়া এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

স্থানীয়রা মনে করছেন, সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ শিক্ষাঙ্গনে অনিয়মের চিত্রই নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার হরণেরও বহিঃপ্রকাশ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট