1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিগ্রীরচর বড় ঈদগাঁহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর নামাজ অনুষ্ঠিত হয় হাবিবুল্লাহনগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউপি সদস্য শাহাদৎ হোসেন বাঘায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মরিচপুরান ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সুলাইমান সিদ্দিকী সানি পঞ্চগড়ে অসহায়দের মাঝে ‘আগুন তোলা স্বপ্ন ছোঁয়া’ সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীর বাঘায় ২০০ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটালো ফেসবুক গ্রুপ ‘আমাদের বাঘা’ জলঢাকাবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক আল আমিন ইসলাম বাঘবেড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রহুল ইসলাম শেরপুরে দুই শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদের ঈদ উপহার বিতরণ

নোয়াখালীতে কৃষি জমি থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনে কুখ্যাত শাহাদাত – রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বেপরোয়া দৌরাত্ম্য

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১২৪ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীতে কৃষি জমি থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন করছেন যুবদল নেতা শাহাদাত – এলাকাবাসীর মাঝে চরম আতঙ্ক।

মোঃ বেল্লাল হোসাইন নাঈম, স্টাফ রিপোর্টার

নোয়াখালীর সদর উপজেলার ৭নং ধর্মপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ধর্মপুর গ্রামের ৯০ একর এলাকায় কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন স্থানীয় যুবদল নেতা মোঃ শাহাদাত। কে এই শাহাদাত? কেনই বা তার এতো ক্ষমতা? এলাকাবাসীর মুখে উঠে আসছে তার নানা পরিচয়।

শাহাদাত ধর্মপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। তবে পরিবারের রাজনৈতিক চিত্র আরও বৈচিত্র্যময়। তার বাবা আওয়ামী লীগের বিশিষ্ট নেতা, আর ভাইদের কেউ আওয়ামী লীগ, কেউ বিএনপি, আবার কেউ জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। পরিবারের এই বহুমাত্রিক রাজনৈতিক সংযোগই তাকে দিয়েছে এক অদৃশ্য ছত্রছায়া। ফলে ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে বছরের পর বছর অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, শাহাদাত এখন এলাকায় কুখ্যাত বালু ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। কৃষি জমি থেকে নির্বিচারে বালু উত্তোলন করে কালো টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, জায়গা দখলসহ নানা অনিয়মের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে। সাধারণ মানুষ তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হলেও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না।

অভিযোগ রয়েছে, বালু ব্যবসায়ীদের এই দৌরাত্ম্যের পেছনে স্থানীয় প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তারও যোগসাজশ রয়েছে। মাঝে-মধ্যে মোবাইল কোর্টের অভিযান চালানো হলেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছে না।

আইন অনুযায়ী, উর্বর কৃষিজমি, নদীবক্ষ বা খোলা জায়গা থেকে বাণিজ্যিকভাবে বালু উত্তোলন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ২০২৩ সালের বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনের ৬২ নং ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে— কৃষিজমির উর্বর মাটি বিনষ্ট করে, পরিবেশ বা জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি সাধন করে কিংবা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে কোনোভাবেই বালু উত্তোলন করা যাবে না।

কৃষি জমি থেকে এই অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে ঘরবাড়ি, রাস্তা ও সেতু ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। তারা প্রশাসনের প্রতি অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট