1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিগ্রীরচর বড় ঈদগাঁহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর নামাজ অনুষ্ঠিত হয় হাবিবুল্লাহনগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউপি সদস্য শাহাদৎ হোসেন বাঘায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মরিচপুরান ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সুলাইমান সিদ্দিকী সানি পঞ্চগড়ে অসহায়দের মাঝে ‘আগুন তোলা স্বপ্ন ছোঁয়া’ সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীর বাঘায় ২০০ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটালো ফেসবুক গ্রুপ ‘আমাদের বাঘা’ জলঢাকাবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক আল আমিন ইসলাম বাঘবেড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রহুল ইসলাম শেরপুরে দুই শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদের ঈদ উপহার বিতরণ

তেঁতুলিয়া এডিপি প্রকল্পে অনিয়ম: ৮ হাজার টাকার টেবিল ৩৫ হাজারে, ইউএনওর বিতর্কিত মন্তব্য

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে
তেঁতুলিয়ার এডিপি প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে টেবিল-চেয়ার কেনার অভিযোগ
তেঁতুলিয়ার এডিপি প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে টেবিল-চেয়ার কেনার অভিযোগ

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় এডিপি (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বাজারমূল্যে ৮ হাজার টাকার টেবিল ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা, ৪ হাজার টাকার চেয়ার ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৩৫২ টাকা এবং সাড়ে ৫০০ টাকার ফুটবল কেনা হয়েছে ১ হাজার ৩৩৩ টাকায়। সরেজমিন অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী ও ফার্নিচার প্রস্তুতকারকেরা জানান, নকশা অনুযায়ী একটি টেবিল ও একটি চেয়ারের জন্য সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকা খরচ হলেই যথেষ্ট। কিন্তু প্রকল্পে এর তিন থেকে চার গুণ বেশি মূল্য দেখানো হয়েছে। তাছাড়া প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ৯টি টেবিল ও ৪২টি চেয়ার, কিন্তু বাস্তবে পাওয়া গেছে মাত্র ৭টি টেবিল ও ৩০টি চেয়ার।

অভিযোগ উঠেছে, এসব ব্যয় দেখানো হয়েছে ইউএনওর আস্থা ভাজন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাসান এন্টারপ্রাইজ-এর মাধ্যমে। ১০ লাখ টাকার বরাদ্দে কাজের মধ্যে শুধু টেবিল-চেয়ার বাবদই খরচ দেখানো হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৭৮৪ টাকা। গ্লাস বসানোর কথা থাকলেও তা বাদ দিয়েই কাজ শেষ দেখিয়ে পূর্ণ বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহীন খসরু এ প্রসঙ্গে বলেন,
“প্রাক্কলন কোড অনুযায়ী একটি টেবিলের দাম ৬৮ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আমরা তো এত টাকা দিইনি। প্রকল্প দেওয়াটা আমার দায়িত্ব, বাস্তবায়ন করেছে প্রকৌশল অফিস।”

তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী খান অবশ্য অনিয়মের অভিযোগ নাকচ করে বলেন,
“প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন হয়েছে, অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।”

তবে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, বিগত সরকারের সময়কার হরিলুটের ধারাবাহিকতা এখনো চলমান। ইউএনওর পছন্দের এক ঠিকাদারকে দিয়ে ৪০ লাখ টাকার সংস্কার কাজ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এর মধ্যে টেনিস গ্রাউন্ডে ২০ লাখ, বেরং কমপ্লেক্সে ১০ লাখ, ইউএনও বাসভবন সংস্কারে ১০ লাখ এবং পিকনিক কর্নারের নামে আরও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রকল্পের নামে এভাবে অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে সরকারি অর্থ লুটপাটের দায় কে নেবে?

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট