1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যু: শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল, জেলাজুড়ে শোক শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল নকলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হা’ম’লা’য় গুরুতর আহত সাংবাদিক জাহাঙ্গীর ইসলামপুরে সুলতান মাহমুদ বাবুর নির্বাচনী পথসভা: ‘ভোট গণনা পর্যন্ত কেন্দ্রে থাকার আহ্বান’ ঝিনাইগাতীতে অসহায় বৃদ্ধার মাথার গোঁজার ঠাঁই করে দিল ‘জাগ্রত তরুণ সংস্থা’ গাজীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রচারণা: শ্রীপুরে শাহজাহান সজল ও ফজলুল হকের গণসংযোগ ইসলামপুরে বেনুয়ার চর বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির নাইট ফুটবল: ট্রাইবেকারে চ্যাম্পিয়ন জুয়েল একাদশ বাঘায় সরকারি কর্মচারীদের বিশাল মানববন্ধন: নতুন পে-কমিশন দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি বাঘায় তুলা চাষে ঝুঁকছেন প্রান্তিক কৃষকরা: কম খরচে অধিক লাভের স্বপ্ন

পঞ্চগড়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে
পঞ্চগড়ের দণ্ডপাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের তদন্তের জন্য উপজেলা অফিসে উপস্থিত কর্মকর্তারা।

দণ্ডপাল ইউনিয়নের রাজস্ব আদায়ের ৩০ লাখ টাকার হিসাব মিলছে না

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার, পঞ্চগড়:
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার দণ্ডপাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজগর আলী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ময়নুল হকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

এর আগে গত ১৩ অক্টোবর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব আদায়ের প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।

সংবাদে উল্লেখ করা হয়, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে চেয়ারম্যান আজগর আলী দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ইউনিয়নের প্রতিটি ইটভাটা থেকে ৫০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কর আদায় করা হলেও রাজস্ব খাতের হিসাবে এসব টাকা দেখানো হয়নি।

স্থানীয় ইটভাটা মালিকরা জানান, পরিষদে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা প্রদান করলেও তাদের দেওয়া রশিদে কম পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করা হয়।
মেসার্স এমআরবি ব্রিক্সের মালিক মোকবুল হোসেন বলেন,

“গত মৌসুমে ৭০ হাজার টাকা কর দিয়েছি, কিন্তু ১৫ হাজার টাকার রশিদ দিয়েছে।”

একই অভিযোগ করেন এস বিবি ব্রিক্সের ম্যানেজার খগেশ্বর বর্মনসহ আরও কয়েকজন ইটভাটা মালিক। তারা বলেন,

“ইউনিয়ন পরিষদে বছরে ৭০-৭৫ হাজার টাকা করে দিতে হয়, কিন্তু রশিদে অনেক কম লেখা হয়। ভ্যাট, ট্যাক্স, চাঁদা, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ নানা খাতে ব্যয় সামলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।”

অটো রাইস মিল মালিক গোলাম আজম গোলাপ জানান,

“প্রতি বছর ইউনিয়ন পরিষদে কর বাবদ ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়।”

অভিযুক্ত সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বর্তমান মারেয়া ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ময়নুল হক বলেন,

“ইউনিয়নের ইটভাটাগুলো থেকে কয়েক বছর কোনো কর আদায় হয়নি।”
একই বক্তব্য দেন চেয়ারম্যান মো. আজগর আলী

তবে বর্তমান প্রশাসনিক কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন জানান,

“আমি নতুন যোগদান করেছি। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিটি ইটভাটা ও কারখানাকে নোটিশ দিয়েছি যাতে তারা নিয়ম অনুযায়ী রাজস্বের টাকা ইউনিয়ন পরিষদে জমা দেয়।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন,

“অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট