1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিগ্রীরচর বড় ঈদগাঁহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর নামাজ অনুষ্ঠিত হয় হাবিবুল্লাহনগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউপি সদস্য শাহাদৎ হোসেন বাঘায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মরিচপুরান ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সুলাইমান সিদ্দিকী সানি পঞ্চগড়ে অসহায়দের মাঝে ‘আগুন তোলা স্বপ্ন ছোঁয়া’ সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীর বাঘায় ২০০ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটালো ফেসবুক গ্রুপ ‘আমাদের বাঘা’ জলঢাকাবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক আল আমিন ইসলাম বাঘবেড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রহুল ইসলাম শেরপুরে দুই শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদের ঈদ উপহার বিতরণ

পঞ্চগড়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে
পঞ্চগড়ের দণ্ডপাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের তদন্তের জন্য উপজেলা অফিসে উপস্থিত কর্মকর্তারা।

দণ্ডপাল ইউনিয়নের রাজস্ব আদায়ের ৩০ লাখ টাকার হিসাব মিলছে না

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার, পঞ্চগড়:
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার দণ্ডপাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজগর আলী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ময়নুল হকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

এর আগে গত ১৩ অক্টোবর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব আদায়ের প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।

সংবাদে উল্লেখ করা হয়, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে চেয়ারম্যান আজগর আলী দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ইউনিয়নের প্রতিটি ইটভাটা থেকে ৫০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কর আদায় করা হলেও রাজস্ব খাতের হিসাবে এসব টাকা দেখানো হয়নি।

স্থানীয় ইটভাটা মালিকরা জানান, পরিষদে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা প্রদান করলেও তাদের দেওয়া রশিদে কম পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করা হয়।
মেসার্স এমআরবি ব্রিক্সের মালিক মোকবুল হোসেন বলেন,

“গত মৌসুমে ৭০ হাজার টাকা কর দিয়েছি, কিন্তু ১৫ হাজার টাকার রশিদ দিয়েছে।”

একই অভিযোগ করেন এস বিবি ব্রিক্সের ম্যানেজার খগেশ্বর বর্মনসহ আরও কয়েকজন ইটভাটা মালিক। তারা বলেন,

“ইউনিয়ন পরিষদে বছরে ৭০-৭৫ হাজার টাকা করে দিতে হয়, কিন্তু রশিদে অনেক কম লেখা হয়। ভ্যাট, ট্যাক্স, চাঁদা, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ নানা খাতে ব্যয় সামলে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।”

অটো রাইস মিল মালিক গোলাম আজম গোলাপ জানান,

“প্রতি বছর ইউনিয়ন পরিষদে কর বাবদ ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়।”

অভিযুক্ত সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বর্তমান মারেয়া ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ময়নুল হক বলেন,

“ইউনিয়নের ইটভাটাগুলো থেকে কয়েক বছর কোনো কর আদায় হয়নি।”
একই বক্তব্য দেন চেয়ারম্যান মো. আজগর আলী

তবে বর্তমান প্রশাসনিক কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন জানান,

“আমি নতুন যোগদান করেছি। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিটি ইটভাটা ও কারখানাকে নোটিশ দিয়েছি যাতে তারা নিয়ম অনুযায়ী রাজস্বের টাকা ইউনিয়ন পরিষদে জমা দেয়।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন,

“অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট