1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিগ্রীরচর বড় ঈদগাঁহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর নামাজ অনুষ্ঠিত হয় হাবিবুল্লাহনগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউপি সদস্য শাহাদৎ হোসেন বাঘায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মরিচপুরান ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সুলাইমান সিদ্দিকী সানি পঞ্চগড়ে অসহায়দের মাঝে ‘আগুন তোলা স্বপ্ন ছোঁয়া’ সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীর বাঘায় ২০০ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটালো ফেসবুক গ্রুপ ‘আমাদের বাঘা’ জলঢাকাবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক আল আমিন ইসলাম বাঘবেড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রহুল ইসলাম শেরপুরে দুই শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদের ঈদ উপহার বিতরণ

জগদল উচ্চ বিদ্যালয়ের তথ্য গোপনের অভিযোগ, তথ্য অধিকার আইনের আবেদনেও সাড়া দিচ্ছেন না প্রধান শিক্ষক

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে
পঞ্চগড় সদর উপজেলার জগদল উচ্চ বিদ্যালয় ভবন ও প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ের দৃশ্য
পঞ্চগড় সদর উপজেলার জগদল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সাংবাদিক তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও তথ্য পাননি।

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:
পঞ্চগড় সদর উপজেলার জগদল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করার পরও তিনি নির্ধারিত তথ্য সরবরাহ করছেন না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এক সংবাদকর্মী।

জানা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদে নিয়োগসহ প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন, দোকান ভাড়া, ব্যাংক হিসাব ও জামানত সংক্রান্ত তথ্য জানতে নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করেন এক সংবাদকর্মী। কিন্তু প্রায় পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

বুধবার (২২ অক্টোবর) প্রধান শিক্ষক মো. আনিছুর রহমান ওই সংবাদকর্মীকে জানান,

“প্রতিষ্ঠানের সভাপতি তথ্য দিতে নিষেধ করেছেন।”

তবে বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আব্দুল আলিম বলেন,

“তথ্য না দেওয়ার বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে আমার কোনো কথা হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করলে অবশ্যই তথ্য দিতে হবে।”

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সাংবাদিক সাইদুরজ্জামান রেজা বলেন,

“শিক্ষক-কর্মচারীরা জনগণের করের টাকায় বেতন পান। তাই তাদের তথ্য গোপনের অধিকার নেই। সাংবাদিক বা সাধারণ নাগরিক—যে কেউ তথ্য চাইতে পারেন, আর সেটি দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।”

ভুক্তভোগী সাংবাদিক মনজু হোসেন বলেন,

“বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের খতিয়ান, দোকানের জামানত ও ব্যাংক হিসাবসহ কিছু নথি চেয়ে আবেদন করেছি। কিন্তু প্রধান শিক্ষক নানা অজুহাতে তথ্য না দিয়ে হয়রানি করছেন।”

স্থানীয়রা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও তথ্য অধিকার আইনের সঠিক প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট