1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিগ্রীরচর বড় ঈদগাঁহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর নামাজ অনুষ্ঠিত হয় হাবিবুল্লাহনগরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ইউপি সদস্য শাহাদৎ হোসেন বাঘায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার মরিচপুরান ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সুলাইমান সিদ্দিকী সানি পঞ্চগড়ে অসহায়দের মাঝে ‘আগুন তোলা স্বপ্ন ছোঁয়া’ সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজশাহীর বাঘায় ২০০ অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটালো ফেসবুক গ্রুপ ‘আমাদের বাঘা’ জলঢাকাবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক আল আমিন ইসলাম বাঘবেড় ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রহুল ইসলাম শেরপুরে দুই শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা বুলবুল আহম্মেদের ঈদ উপহার বিতরণ

যথাযোগ্য মর্যাদায় শেরপুরে মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উদযাপন

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে
শেরপুর শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করছেন জেলা প্রশাসক

মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে শেরপুরে যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বিজয়ের স্মরণে আজ ভোরে দিবসটির সূচনা হয় ঐতিহ্যবাহী আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে।

দিবসের প্রথম প্রহরে ভোর ৬টা ৩৮ মিনিটে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। এ সময় পুরো শহরে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

এরপর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শেরপুর শহরের শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তরফদার মাহমুদুর রহমান। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের অবদান স্মরণ করে নীরবতা পালন করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং সমাজের সর্বস্তরের জনগণ। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে স্মৃতিস্তম্ভ এলাকা এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে বলেন, “১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহিদদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। মহান বিজয় দিবস আমাদের জাতীয় জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন এবং এটি আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার প্রতীক।” তিনি নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শেরপুর জেলা প্রশাসনের গৃহীত এসব কর্মসূচি নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, মহান বিজয় দিবস বাঙালি জাতির জন্য গৌরব ও অহংকারের দিন। এই দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় ঐক্য, ত্যাগ ও সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার মূল্য কতটা মহান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট