1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেরপুরে ব্রিজের নিচে কেরোসিন সদৃশ তরল! খনির সন্ধানে কৌতূহল ও আতঙ্ক প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: নিস্তব্ধ ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী বকশীগঞ্জে বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের দুই শতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান নালিতাবাড়ীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নান্দাইলে রাস্তা নির্মাণে ‘হরিলুটের’ অভিযোগ, কাজ না করেই ১৩ লাখ টাকা উধাও! পঞ্চগড়ে নিখোঁজের দুইদিন পর পুকুরে মিলল তরুণীর ম’র’দে’হ কাউকে এনআইডি কার্ড দেবেন না, ওটা দিয়ে অপরাধ হতে পারে: ব্যারিস্টার খোকন নির্বাচন হবে সিরাতুল মুস্তাকিম, বেইমানি করলেই সাসপেন্ড: বাকেরগঞ্জের ইউএনও শেরপুরে প্রশাসনিক অচলাবস্থার হুঁশিয়ারি: দ্রুত ৯ম পে স্কেল কার্যকরের দাবি শেরপুরে ৬ বছরের শি’শু ধ*র্ষ*ণ: আসামি লিটন মণ্ডলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

নান্দাইলে রাস্তা নির্মাণে ‘হরিলুটের’ অভিযোগ, কাজ না করেই ১৩ লাখ টাকা উধাও!

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে
নান্দাইলে রাস্তা নির্মাণে ‘হরিলুটের’ অভিযোগ, কাজ না করেই ১৩ লাখ টাকা উধাও!

নিজস্ব প্রতিবেদক, নান্দাইল (ময়মনসিংহ) ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নে একটি গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বরাদ্দের প্রায় ১৩ লাখ টাকা উত্তোলন করা হলেও বাস্তবে নামমাত্র কাজ করে পুরো টাকা ‘হরিলুট’ করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

প্রকল্পের বিবরণ ও অভিযোগ

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, খারুয়া ইউনিয়নের ছালুয়াপাড়া ঈদগাহ মাঠ থেকে বেপারীপাড়া ইউপি সদস্য রিয়াজ উদ্দিনের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার মাটি ভরাট ও এইচবিবি (ইট বিছানো) করণের জন্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রিয়াজ উদ্দিন।

অভিযোগ রয়েছে, পিআইও কার্যালয় থেকে ইতিমধ্যে দুই কিস্তিতে বরাদ্দের সম্পূর্ণ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। কিন্তু কাজ শেষ করার কথা থাকলেও প্রকল্প এলাকায় কাজের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

সরেজমিন চিত্র

সরেজমিনে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্পের তথ্য সম্বলিত কোনো সাইনবোর্ড সেখানে স্থাপন করা হয়নি। রাস্তার দুই পাশে মাটি কাটার বা নতুন মাটি ভরাটের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অথচ প্রকল্পের প্রধান শর্তই ছিল মাটি ভরাট করে রাস্তা মজবুত করা। মাটি ভরাটের পরিবর্তে অত্যন্ত নিম্নমানের (২ ও ৩ নম্বর) ইট কোনোমতে বিছিয়ে দায়সারাভাবে কাজ শেষ দেখানো হয়েছে।

জনগণের ক্ষোভ

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই প্রকল্পে বড়জোর ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার কাজ হয়েছে। বাকি প্রায় ৮-৯ লাখ টাকা পকেটস্থ করা হয়েছে। এলাবাসী বলেন, “নামমাত্র ইট বিছানোর ফলে অল্প বৃষ্টিতেই কাদা জমে রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। এটি উন্নয়নের নামে সরকারি টাকার অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়।”

দাবি ও তদন্তের আহ্বান

এলাকার সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত এই অনিয়মের তদন্ত দাবি করেছেন। তাদের দাবি, উত্তোলনকৃত টাকার বিপরীতে কতটুকু কাজ হয়েছে তা খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং রাস্তাটি টেকসইভাবে নির্মাণের ব্যবস্থা করা হোক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট