
মাসুদ রানা, জামালপুর জেলা প্রতিনিধি | ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জামালপুর: দীর্ঘ তিন দশক পর জামালপুর-৫ (সদর) আসন পুনরুদ্ধার করে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করেছেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির টানা চারবারের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহ্ মোঃ ওয়ারেছ আলী মামুন। বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এখন তাকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চেয়ে রাজপথে নেমেছেন জেলাবাসী।
আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই গুরুত্বপূর্ণ আসনটি পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে এডভোকেট ওয়ারেছ আলী মামুন প্রমাণ করেছেন জনমানুষের হৃদয়ে তার অবস্থান। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই পুরো জামালপুরে বইছে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের জোয়ার। সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত মিছিলে মুখর হয়ে উঠেছে জনপদ। স্থানীয়রা এই বিজয়কে ‘গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন’ হিসেবে দেখছেন।
বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগের রাজনীতিতে এডভোকেট ওয়ারেছ আলী মামুন এক পরীক্ষিত নাম। তার রাজনৈতিক জীবন ছিল আন্দোলন ও সংগ্রামে ভরপুর। স্থানীয়দের মতে:
বিগত বছরগুলোতে অসংখ্য হামলা, মামলা ও জেল-জুলুম উপেক্ষা করে তিনি দলকে সুসংগঠিত রেখেছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক এবং সাধারণ মানুষের বিপদে পাশে থাকার মানবিক গুণাবলি তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
দলের দুঃসময়ে শুধু জামালপুর নয়, পুরো ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এডভোকেট মামুনের হাত ধরে জামালপুরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছেন জেলাবাসী। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বচ্ছ নেতৃত্বের মাধ্যমে আধুনিক জামালপুর গড়ার প্রত্যাশা সবার।
জামালপুরের সাধারণ মানুষের মুখে এখন একটাই দাবি—জনপ্রিয় ও মানবিক নেতা ওয়ারেছ আলী মামুনকে সরকারের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তারা। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, বৃহত্তর পরিসরে দায়িত্ব পেলে তিনি কেবল জামালপুর সদর নয়, বরং পুরো অঞ্চলের উন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেন।
তৃণমূলের দাবি, ত্যাগী ও জনঘনিষ্ঠ এই নেতাকে মন্ত্রীসভায় স্থান দিলে তা হবে দীর্ঘদিনের অবহেলিত জামালপুরবাসীর প্রতি এক বড় স্বীকৃতি।