
নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ | ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, মারধর ও ব্যাপক ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ আবুল হোসেন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দ বাড়ি প্রেস ক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে আবুল হোসেন জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে তারাটিয়া বাজারে ‘রেজুয়ান টেলিকম’ নামে মোবাইল ব্যাংকিং ও মোবাইল ফোন বিক্রির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তার দাবি, সততা ও সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করায় একটি কুচক্রী মহল তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল।
হামলার সূত্রপাত সম্পর্কে তিনি বলেন:
ঘটনার দিন এক অভিযুক্ত তার দোকান থেকে ২০ হাজার টাকা ক্যাশ আউট করেন।
পরবর্তীতে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দাবি করাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অভিযুক্তরা রড ও লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দোকানে প্রবেশ করে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। এ সময় দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। ক্ষতিগ্রস্ত মালামালের মধ্যে রয়েছে:
দোকানের গ্লাসের রেক ও টেবিল।
মনিটর, কম্পিউটার (পিসি) ও প্রিন্টার।
৯টি দামী অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন।
আবুল হোসেনের দাবি, এই হামলায় তার আনুমানিক আড়াই লাখ টাকার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে হামলার জন্য যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে তারা হলেন— মোঃ শেখ ফরিদ, মোঃ শিপন মিয়া, মোঃ আয়নাল হক, মোঃ জলিল, মোঃ হুকুম আলী, মোঃ জরুল হক, মোঃ পলাশ ও মোঃ রিপন। অভিযুক্ত সকলের বাড়ি উপজেলার ডাকড়াগ্রাম এলাকায় বলে জানানো হয়।
ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে আবুল হোসেন বলেন, “আমি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন, দ্রুত এই সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।”
এ বিষয়ে তিনি ইতোমধ্যে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানান।