1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যু: শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল, জেলাজুড়ে শোক শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল নকলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হা’ম’লা’য় গুরুতর আহত সাংবাদিক জাহাঙ্গীর ইসলামপুরে সুলতান মাহমুদ বাবুর নির্বাচনী পথসভা: ‘ভোট গণনা পর্যন্ত কেন্দ্রে থাকার আহ্বান’ ঝিনাইগাতীতে অসহায় বৃদ্ধার মাথার গোঁজার ঠাঁই করে দিল ‘জাগ্রত তরুণ সংস্থা’ গাজীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রচারণা: শ্রীপুরে শাহজাহান সজল ও ফজলুল হকের গণসংযোগ ইসলামপুরে বেনুয়ার চর বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির নাইট ফুটবল: ট্রাইবেকারে চ্যাম্পিয়ন জুয়েল একাদশ বাঘায় সরকারি কর্মচারীদের বিশাল মানববন্ধন: নতুন পে-কমিশন দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি বাঘায় তুলা চাষে ঝুঁকছেন প্রান্তিক কৃষকরা: কম খরচে অধিক লাভের স্বপ্ন

তেঁতুলিয়া এডিপি প্রকল্পে অনিয়ম: ৮ হাজার টাকার টেবিল ৩৫ হাজারে, ইউএনওর বিতর্কিত মন্তব্য

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৯৮ বার পড়া হয়েছে
তেঁতুলিয়ার এডিপি প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে টেবিল-চেয়ার কেনার অভিযোগ
তেঁতুলিয়ার এডিপি প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে টেবিল-চেয়ার কেনার অভিযোগ

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় এডিপি (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বাজারমূল্যে ৮ হাজার টাকার টেবিল ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা, ৪ হাজার টাকার চেয়ার ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৩৫২ টাকা এবং সাড়ে ৫০০ টাকার ফুটবল কেনা হয়েছে ১ হাজার ৩৩৩ টাকায়। সরেজমিন অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী ও ফার্নিচার প্রস্তুতকারকেরা জানান, নকশা অনুযায়ী একটি টেবিল ও একটি চেয়ারের জন্য সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকা খরচ হলেই যথেষ্ট। কিন্তু প্রকল্পে এর তিন থেকে চার গুণ বেশি মূল্য দেখানো হয়েছে। তাছাড়া প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ৯টি টেবিল ও ৪২টি চেয়ার, কিন্তু বাস্তবে পাওয়া গেছে মাত্র ৭টি টেবিল ও ৩০টি চেয়ার।

অভিযোগ উঠেছে, এসব ব্যয় দেখানো হয়েছে ইউএনওর আস্থা ভাজন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাসান এন্টারপ্রাইজ-এর মাধ্যমে। ১০ লাখ টাকার বরাদ্দে কাজের মধ্যে শুধু টেবিল-চেয়ার বাবদই খরচ দেখানো হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৭৮৪ টাকা। গ্লাস বসানোর কথা থাকলেও তা বাদ দিয়েই কাজ শেষ দেখিয়ে পূর্ণ বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহীন খসরু এ প্রসঙ্গে বলেন,
“প্রাক্কলন কোড অনুযায়ী একটি টেবিলের দাম ৬৮ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আমরা তো এত টাকা দিইনি। প্রকল্প দেওয়াটা আমার দায়িত্ব, বাস্তবায়ন করেছে প্রকৌশল অফিস।”

তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী খান অবশ্য অনিয়মের অভিযোগ নাকচ করে বলেন,
“প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন হয়েছে, অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।”

তবে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, বিগত সরকারের সময়কার হরিলুটের ধারাবাহিকতা এখনো চলমান। ইউএনওর পছন্দের এক ঠিকাদারকে দিয়ে ৪০ লাখ টাকার সংস্কার কাজ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এর মধ্যে টেনিস গ্রাউন্ডে ২০ লাখ, বেরং কমপ্লেক্সে ১০ লাখ, ইউএনও বাসভবন সংস্কারে ১০ লাখ এবং পিকনিক কর্নারের নামে আরও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রকল্পের নামে এভাবে অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে সরকারি অর্থ লুটপাটের দায় কে নেবে?

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট