1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নালিতাবাড়ীতে কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট: বন্ধ কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল এখন সাপ-বিচ্ছুর আস্তানা! নরসিংদীতে সাংবাদিকের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে গরু চুরি, জনতার হাতে আটক ৩ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সাথে সাহেব বাজারের কসাইদের বাগ্‌বিতণ্ডা, থানায় অভিযোগ খামেনির মৃত্যুতে নিন্দা ও প্রতিশোধের শপথ ইরানের: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে যা বলা হলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত: তেহরানে ইসরায়েলি বাহিনীর নতুন হা‘ম‘লা, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি মারা গেছেন বলে দাবি ট্রাম্পের, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে নিশ্চিতকরণ ইসলামপুরে তৃণমূলের আস্থার প্রতীক হামিদুর রহমান মলিন: উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় সাধারণ মানুষ শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হলেন নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই মাসুদুর রহমান তেঁতুলিয়ায় এইচ আর অটো ফিলিং স্টেশনে অবৈধ রিফিল: রান্নার সিলিন্ডারে গাড়ির গ্যাস ভরে চলছে রমরমা ব্যবসা শেরপুরে ৩০ বোতল ফে‘নসি‘ডি‘লসহ মা‘দ‘ক কারবারি গ্রেপ্তার

পুরুষের তুলনায় নারীরা পান অর্ধেক পারিশ্রমিক: নীলফামারীতে নারী শ্রমিকদের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে
নীলফামারীর মাঠে ধান রোপণে ব্যস্ত নারী কৃষি শ্রমিকরা
নীলফামারীর জলঢাকার মাঠে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে ধান রোপণ করছেন নারী কৃষি শ্রমিকরা — ছবি: সংগৃহীত

মশিয়ার রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধি

বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। জাতীয় উন্নয়নে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। ঘরের কাজের পাশাপাশি কৃষিক্ষেত্রেও নারীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। কিন্তু অবদান রাখলেও পুরুষের তুলনায় নারীরা এখনও পারিশ্রমিক বৈষম্যের শিকার — এমন চিত্র উঠে এসেছে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার মাঠঘাটে।


  নারীর পরিশ্রম, কিন্তু মজুরি অর্ধেক

জলঢাকার বিভিন্ন ইউনিয়নে কৃষি শ্রমে নারীদের অংশগ্রহণ ক্রমেই বাড়ছে। দারিদ্র্যপীড়িত ও ভূমিহীন পরিবারগুলোর নারীরা অন্যের জমিতে কাজ করে সংসার চালান। কিন্তু পুরুষের সমান পরিশ্রম করেও তারা পান না সমান মজুরি।

কৈমারী ইউনিয়নের গাবরোল হাজীপাড়া এলাকার নারী শ্রমিক তাহেরা বলেন,

“আমরা গরীব মানুষ, জমি নেই। তাই অন্যের জমিতে ধান লাগানো, আগাছা পরিষ্কার, কাটা–মাড়াই সব কাজ করি। কিন্তু পুরুষ যেখানে দিনে ৪০০ টাকা পায়, আমরা পাই মাত্র ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।”

ডাউয়াবারী ইউনিয়নের চরভরট পাড়ার রানী বলেন,

“ধান লাগানো থেকে শুরু করে মাড়াই—সব কাজ করি। কিন্তু মজুরি কম পাই। এটা খুব অন্যায়।”


  রোদ-বৃষ্টিতে পরিশ্রম, তবু অবমূল্যায়ন

শৌলমারী ইউনিয়নের বানপাড়ার মায়া বলেন,

“রোদ-বৃষ্টিতে কাজ করি, কিন্তু শরীর সুস্থ থাকে। আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের কষ্ট সহ্য করে কৃষিতে টিকে আছি। তবু আমাদের মজুরি কম।”

কৈমারী ইউনিয়নের বাধ এলাকার রাহেলা জানান,

“আমাদের পরিশ্রমে হাজার হাজার একর জমিতে ফসল হচ্ছে। তবুও আমাদের অবদান কেউ মূল্যায়ন করে না।”


 পুরুষ শ্রমিকদেরও স্বীকৃতি

গাবরোল টগরার ডাঙ্গা এলাকার পুরুষ শ্রমিক সোবহান বলেন,

“এ এলাকার কৃষি উৎপাদনে নারী শ্রমিকরা পুরুষদের সমান অবদান রাখছে।”

স্থানীয় কৃষক কনক বলেন,

“নারীরা সংসার সামলানোর পাশাপাশি কৃষি কাজেও দারুণ সাফল্য দেখাচ্ছেন। নিজেরাও জমিতে কাজ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।”


  নায্য মজুরির দাবি

স্থানীয় নারীরা বলেন, তারা এ অঞ্চলের জঙ্গল পরিষ্কার করে ফসলি জমিতে পরিণত করেছেন। সেই জমিতে ধানসহ সব ফসল উৎপাদনে নারীরাই মূল ভূমিকা রাখছেন।

তারা সরকারের প্রতি দাবি জানান —
নারীদের কৃষি শ্রমিক হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হোক এবং পুরুষের সমান ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা হোক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট