1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
স্ত্রীর ৯ শর্তের চাপে যুবকের আত্মহত্যা: রামগতিতে চাঞ্চল্য শেরপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রাখার দায়ে দুই ফার্মেসিকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা জয়পুরহাটে সচেতনতা বাড়াতে এনসিপির ব্যতিক্রমী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে তিতাসের অভিযান: কারখানায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন গোদাগাড়ীতে দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানির অভিযোগ মধুপুরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত বাঘায় ২০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার: মাদক নির্মূলে পুলিশের বিশেষ অভিযান দেওয়ানগঞ্জে মাদকসহ দুই যুবক আটক: ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড রামেক হাসপাতালের পরিচালক পদে তানোরের কৃতী সন্তান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ ইসলামপুরে যুবদল নেতা কুদ্দুসের প্রতিবাদ: ‘ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’

গজনী বনে জবরদখল উচ্ছেদে কঠোর বন বিভাগ, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৩ অবৈধ বসতবাড়ি

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯৫ বার পড়া হয়েছে
গজনী বনে জবরদখল উচ্ছেদে কঠোর বন বিভাগ, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৩ অবৈধ বসতবাড়ি

মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ঝিনাইগাতী, শেরপুর: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় বনভূমি রক্ষায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে বন বিভাগ। উপজেলার রাংটিয়া রেঞ্জাধীন গজনী বিটের গান্ধীগাঁও মৌজায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা তিনটি বসতবাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাংটিয়া রেঞ্জের আওতায় চলমান জবরদখল উচ্ছেদ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিক্রমা: বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গজনী বনের সংরক্ষিত এলাকায় একদল প্রভাবশালী ও ভূমিদস্যু চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে আসছিল। বুধবার বিকেলের অভিযানে বন বিভাগের জমিতে অবৈধভাবে স্থাপিত তিনটি বসতবাড়ি সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে দিয়ে জমিটি দখলমুক্ত করা হয়।

নেতৃত্বে যারা ছিলেন: উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী বন সংরক্ষক তানভীর আহমেদ। অভিযানে আরও অংশগ্রহণ করেন ফরেস্ট রেঞ্জার মো. সুমন মিয়া ও মো. তহিদুল ইসলাম, ফরেস্টার সালেহীন নেওয়াজ ও ফাহিম মুনতাসীরসহ বন বিভাগের ফরেস্ট গার্ড এবং ইআরটি (ERT) সদস্যরা।

বন বিভাগের হুঁশিয়ারি: অভিযান শেষে বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারি বনভূমি রক্ষা ও প্রাকৃতিক বন সংরক্ষণের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে বনভূমিতে যেকোনো ধরনের অবৈধ দখল বা স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করা হলে তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে ফরেস্ট রেঞ্জার তহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা সরকারি সম্পদ রক্ষায় বদ্ধপরিকর। বনের জমিতে যারা অবৈধভাবে বসতবাড়ি নির্মাণ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে বন আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।”

বন বিভাগের এই সাহসী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠন ও সচেতন মহল। তাদের মতে, নিয়মিত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে বনাঞ্চল ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট