1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যু: শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল, জেলাজুড়ে শোক শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল নকলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হা’ম’লা’য় গুরুতর আহত সাংবাদিক জাহাঙ্গীর ইসলামপুরে সুলতান মাহমুদ বাবুর নির্বাচনী পথসভা: ‘ভোট গণনা পর্যন্ত কেন্দ্রে থাকার আহ্বান’ ঝিনাইগাতীতে অসহায় বৃদ্ধার মাথার গোঁজার ঠাঁই করে দিল ‘জাগ্রত তরুণ সংস্থা’ গাজীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রচারণা: শ্রীপুরে শাহজাহান সজল ও ফজলুল হকের গণসংযোগ ইসলামপুরে বেনুয়ার চর বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির নাইট ফুটবল: ট্রাইবেকারে চ্যাম্পিয়ন জুয়েল একাদশ বাঘায় সরকারি কর্মচারীদের বিশাল মানববন্ধন: নতুন পে-কমিশন দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি বাঘায় তুলা চাষে ঝুঁকছেন প্রান্তিক কৃষকরা: কম খরচে অধিক লাভের স্বপ্ন

চা কারখানার পরিচালক পক্ষের দ্বন্দ্বে মামলার শিকার উদ্যোক্তা, সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ প্রকাশ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে
শেরপুরের উত্তরা গ্রীণ টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন ভুক্তভোগী উদ্যোক্তা আরিফ হোসেন।
শেরপুরের উত্তরা গ্রীণ টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন ভুক্তভোগী উদ্যোক্তা আরিফ হোসেন।

মনজু হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার :
শেরপুরের উত্তরা গ্রীণ টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক পক্ষের দ্বন্দ্বে হয়রানির শিকার হয়েছেন একদল তরুণ উদ্যোক্তা। এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চা কারখানায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তরুণ উদ্যোক্তা আরিফ হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে পরিচালকদের দ্বন্দ্বের কারণে কারখানাটি বন্ধ ছিল। একপক্ষে ছিলেন সাবেক শিক্ষা অফিসার বোরহান উদ্দিনের স্ত্রী আইরিন পারভীন, তাঁর সন্তান ও ভায়রা ভাই, আরেক পক্ষে ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক ও তারিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। সে সময় এমডি ও সংখ্যাগরিষ্ঠ পরিচালকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আদালতের অনুমতি নিয়ে পাঁচজন তরুণ উদ্যোক্তা চুক্তির মাধ্যমে চা কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেন। এতে শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়।

কিন্তু এর অল্প কিছুদিন পরেই আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে চেয়ারম্যান আইরিন পারভীন, পরিচালক শাহ আলম মিঠু, সাবেক শিক্ষা অফিসার বোরহান উদ্দিন ও তাঁর ছোট ভাই রাকিব হোসেনকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার মাধ্যমে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন আরিফ হোসেন।

তিনি আরও বলেন, “পরিচালক পক্ষের দ্বন্দ্বের কারণে যদি চা কারখানাটি আবার বন্ধ হয়ে যায়, তবে শতাধিক পরিবার কর্মসংস্থান হারাবে। একই সঙ্গে সরকারের রাজস্ব আয় কমে যাবে এবং চা চাষীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

আরিফ হোসেন মামলাটিকে ‘অহেতুক হয়রানি’ হিসেবে উল্লেখ করে এ থেকে মুক্তির দাবি জানান। তিনি বলেন, “আমরা কারখানার সাথে সম্পৃক্ত এবং চা শিল্পকে সচল রাখার চেষ্টা করছি। অথচ অযথা আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”

সংবাদ সম্মেলনে নতুন উদ্যোক্তা রাকিব হোসেন, কারখানার কর্মী মকলেছার রহমান, মন্তাজ আলী, শ্রমিক ও স্থানীয় চা চাষীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট