
মোঃ মশিউর রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধি:
একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন ছিল মেধাবী ছাত্র অনিল চন্দ্র রায়ের। কিন্তু সেই স্বপ্নে পাহাড়সম বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মরণব্যাধি। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার এই মেধাবী তরুণের বর্তমানে দুটি কিডনিই অকেজো হয়ে পড়েছে। অর্থের অভাবে এখন তার চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। তাকে বাঁচাতে আর্তুতি জানাচ্ছে তার অসহায় পরিবার।
অনিল চন্দ্র রায় ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছচাপানী ইউনিয়নের উত্তর ঝুনাগাছচাপানী গ্রামের সুরেন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে। তিনি রংপুর মর্ডান কলেজ থেকে সম্প্রতি অনার্স সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডা. সুশান্ত কুমার বর্মনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অনিলকে বাঁচাতে হলে দ্রুত তার একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে। বর্তমানে তাকে প্রতি সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে।
অনিলের পিতা সুরেন্দ্র নাথ রায় কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার ছেলের দুটি কিডনিই বর্তমানে নষ্ট হয়ে গেছে। ডাক্তাররা বলেছেন তাকে বাঁচাতে হলে কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে, যার জন্য প্রায় ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকার প্রয়োজন। আমি একজন সাধারণ মানুষ, এতো টাকা জোগাড় করা আমার একার পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমি কি করবো ভেবে পাচ্ছি না।”
নিজেদের সহায়-সম্বল শেষ করে এখন অনিলের পরিবার দিশেহারা। সমাজের বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তি ও প্রবাসীদের সামান্য সহযোগিতাই পারে মেধাবী এই তরুণের জীবন বাঁচাতে। একটি শিক্ষিত ছেলের সুন্দর ভবিষ্যৎ রক্ষায় মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন তার পরিবার ও এলাকাবাসী।
আপনার পাঠানো সামান্য অনুদান বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখাতে পারে অনিলকে। সরাসরি যোগাযোগ ও সাহায্য পাঠাতে পারেন নিচের নম্বরে:
রোগীর নাম: শ্রী অনিল চন্দ্র রায়
মোবাইল (নগদ): 01327868429