1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নালিতাবাড়ীতে পিকআপভর্তি ২৭৩ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, গ্রেফতার ৩ নীলফামারী জেলার শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ড নির্বাচিত হলেন ডিমলার রওশন কবির ঝিনাইগাতীতে স্বাস্থ্য খাতে অর্থায়ন জোরদারে এমসিজিএলের ফান্ড মোবিলাইজেশন সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্তদের পুরস্কার ও সনদ বিতরণ মধুপুরে কারিতাসের দিনব্যাপী কৃষি ও খাদ্য বৈচিত্র্য মেলা অনুষ্ঠিত মধুপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ মধুপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ জলঢাকায় চাহিদার অর্ধেক মিলছে বিদ্যুৎ, লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন ডিমলায় পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত, কৃষি প্রযুক্তি প্রসারে নতুন প্রত্যাশা

কাদামাটির শিকল ছিঁড়তে চায় কামারের চর, আট বছরের প্রতীক্ষা এখন ক্ষোভে”

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

শেরপুর প্রতিনিধি:
আট বছরের অপেক্ষা পেরিয়ে শেরপুর সদরের কামারের চরের মানুষ আজও কাদা আর ধুলোর নরকে বন্দি। মাত্র এক কিলোমিটার পথ—মধ্য কামারের চর ঈদগাহ মাঠ থেকে চর পক্ষীমারী বাজার পর্যন্ত—যেন দুই হাজার পরিবারের জীবনের বন্ধন ও বেদনার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

এই পথটি শুধু একটি রাস্তা নয়; এটি কৃষকের ফসল, শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ, ব্যবসায়ীর আশা আর মানুষের দৈনন্দিন জীবনের রক্তধারা। কিন্তু দীর্ঘদিন টেন্ডারের জটিলতায় পড়ে রাস্তার উন্নয়ন কাজ থমকে আছে। ফলে বর্ষায় এটি কাদার জলাভূমি, আর গ্রীষ্মে ধুলোর মরুভূমি।

চর পক্ষীমারী বাজারের প্রায় ১০০ মিটার রাস্তা এখন চলাচলের অনুপযোগী। কাদা-মাটিতে পা ফেলতে না পেরে অনেকেই বাধ্য হয়ে বিকল্প পথে ঘুরে যান। কৃষকরা বলেন, “আমাদের ফসল বাজারে নিতে পারি না, ট্রলি বা ভ্যান কাদায় আটকে যায়। ধানের ন্যায্য দাম পাই না, সব ক্ষতি হয়।”

স্কুলগামী শিশুরাও এই ভোগান্তির শিকার। কাদা ও ধুলার কারণে বই-খাতা নষ্ট হয়, অনেকে স্কুলে নিয়মিত যেতে পারে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও কাজের কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।

বুধবার সকালে কামারের চরের ভুক্তভোগী গ্রামবাসী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে। হাতে প্ল্যাকার্ড, মুখে কষ্টের ভাষা—তাদের একটাই দাবি, “রাস্তা সংস্কার চাই, চলাচলের পথ চাই।”

মানববন্ধন শেষে তারা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। স্মারকলিপিতে জরুরি ভিত্তিতে রাস্তাটির সংস্কার এবং উন্নয়ন কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানানো হয়।

একজন বয়োজ্যেষ্ঠ গ্রামবাসী বলেন, “আমরা উন্নয়নের স্বপ্ন দেখি, কিন্তু কাদা-পানি আমাদের স্বপ্ন ডুবিয়ে দিচ্ছে। প্রশাসন যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, আমাদের জীবনযাত্রা থেমে যাবে।”

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। তবে কামারের চরের মানুষ এখন আশার দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে—এই আশ্বাস কি সত্যিই আট বছরের কাদার জট খুলবে?

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট