1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেরপুর সদরে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত খাল খনন কর্মসূচির জমকালো উদ্বোধন রাণীনগরে হাটে কোরবানির গরু কিনতে এসে ক্রেতার এক লাখ টাকা খোয়া আস্থার প্রতিচ্ছবি ইউএনও মিল্টন চন্দ্র পাল: কালভার্ট থেকে পরীক্ষাকেন্দ্র, সর্বত্রই কড়া নজর পঞ্চগড়ে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের সুফল নিয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত রাণীনগরে সরকারিভাবে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন বাঘায় নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন: আছান আলীর হাতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ‘স্বপ্ননীড়’-এর চাবি শেরপুরের নকলায় খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন; প্রধান অতিথি ফাহিম চৌধুরী মধুপুরে দুই মাদক কারবারিকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বকশীগঞ্জে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ অসুস্থতার অজুহাতে ছুটির অভিযোগ: ক্লাসের বদলে দেখা মিলল আদালতে! বাঘায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এমপি চাঁদ: নগদ অর্থ সহায়তা ও সরকারি ঘর প্রদানের আশ্বাস

কাশিয়াডাংগা পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এসআই মিতুলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে
কাশিয়াডাংগা পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এসআই মিতুলের বিরুদ্ধে মাসোহারা ও জুয়ার বোর্ডে লেনদেনের অভিযোগ

আবুল হাশেম
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর কাশিয়াডাংগা পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এসআই এম এন মিতুলের বিরুদ্ধে জুয়ার বোর্ডে অভিযান পরিচালনার পর অর্থের বিনিময়ে জুয়াড়ি ছেড়ে দেওয়া এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে নিয়মিত মাসোহারা তোলাসহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এসআই মিতুল অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কাশিয়াডাংগা মোড় ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জুয়া, মাদক ও বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড চললেও সেগুলো বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। তাদের অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা নেন এসআই মিতুল। এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, কাশিয়াডাংগা মোড়ের ফুটপাত ও অবৈধ স্থাপনার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও নাকি মাসোহারা আদায় করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায়, গত ২৬ নভেম্বর রাত আনুমানিক ১১টা ৫৫ মিনিটে সায়েরগাছা রেলক্রসিং সংলগ্ন একটি মুরগির খামারে জুয়ার বোর্ডে অভিযান চালান পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ‘রাজা’ নামের একজনকে আটক করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে তাকে পুলিশ বক্সে নেওয়া হলেও পরবর্তীতে ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তাকে ছেড়ে দেওয়ার পেছনে দেড় লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে—যদিও এই অভিযোগের কোনো স্বীকৃত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযানে উদ্ধার হওয়া তাস ও নগদের কোনো জব্দ তালিকা করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তারা।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে এসআই মিতুল বলেন,
“জুয়ার বোর্ড থেকে একজনকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন হয়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।”

এ বিষয়ে কাশিয়াডাংগা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিজুল বারী ইবনে জলিল বলেন,
“বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। আমি দিনাজপুরে সরকারি কাজে আছি। কেউ আমাকে অবগত করেনি। এমন কিছু ঘটলে তদন্তের পর ঊর্ধ্বতনদের পরামর্শে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে থানার ওসি (তদন্ত) আজিজ মণ্ডলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত সরকারি মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে।

এলাকাবাসী জানান, একের পর এক অভিযোগ ওঠার পরও যথাযথ তদন্ত না হলে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণ হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, অভিযানের সময় তিনজনকে আটক করা হয় এবং নগদ টাকা ও তাসও উদ্ধার করা হয়েছিল। পরে ঘটনাস্থলেই দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং একজনকে পুলিশ বক্সে নেওয়ার পর তাকেও ছেড়ে দেওয়া হয় বলে তাদের দাবি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট