
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: উত্তরা জসীমউদ্দীন রোডের ‘স্কাই লাইন ফার্মা’র বিরুদ্ধে একটি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিকের মাল্টিমিডিয়া প্রতিবেদনে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। কোনো প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা নথিপত্র ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নকল ওষুধ বিক্রির মনগড়া অভিযোগ এনে লাইভ করায় ব্যবসায়িক ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করেছেন ফার্মেসির মালিক।
গত ২০ মে দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া বিভাগে উক্ত ফার্মেসিকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে একজন ক্রেতার সাক্ষাৎকারের বরাতে দাবি করা হয়, তিনি ওই ফার্মেসি থেকে নকল ওষুধ ক্রয় করেছেন। তবে অভিযোগকারী ক্রেতা তার দাবির পক্ষে কোনো অকাট্য প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেদন চলাকালীন সংবাদকর্মী একজন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিকে (রিপ্রেজেন্টেটিভ) ডেকে এনে ওষুধটি নকল প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। তবে উক্ত প্রতিনিধিও ওষুধটি নকল হওয়ার সপক্ষে কোনো প্রকার অফিশিয়াল ডকুমেন্ট বা বৈধ নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। কোনো প্রকার সত্যতা যাচাই না করেই হুট করে ফেসবুক লাইভ ও ভিডিওর মাধ্যমে এই বিভ্রান্তি ছড়ানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে স্কাই লাইন ফার্মার মালিক নজরুল ইসলাম তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, “আমি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে অত্যন্ত সততা ও সুনামের সঙ্গে ওষুধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। একটি কুচক্রী মহল সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ ছাড়াই নানাভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে এবং আমার ব্যবসার সুনাম নষ্ট করতে চাইছে।”
তিনি আরও জানান, “হঠাৎ করে লাইভ শুরু করায় আমি নিজেই বিভ্রান্ত ও বিব্রত হয়ে পড়ি। পরবর্তীতে ওই কাস্টমার থানায় অভিযোগ দায়ের করলে আমি যথাযথ নথিপত্র ও প্রমাণের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করেছি যে আমাদের ওষুধটি সম্পূর্ণ আসল ও সঠিক ছিল, কোনো নকল ওষুধ নয়।”
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তথ্য যাচাই ছাড়া এমন অপেশাদার সাংবাদিকতার মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিগ্রস্ত করার এই চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল।