
স্টাফ রিপোর্টার,
বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ডেভেলপার এসোসিয়েশন (বিকেডিএ) এর ব্যবস্থাপনায় আজ শনিবার, ২২ নভেম্বর, দেওয়ানগঞ্জে দুটি কেন্দ্রে একযোগে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই পরীক্ষা মূলত প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য আয়োজিত হয় এবং এতে দেশের বিভিন্ন প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
দেওয়ানগঞ্জ সরকারি আব্দুল খালেক মেমোরিয়াল কলেজ কেন্দ্রে মোট ৮টি প্রতিষ্ঠানের ২৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। অন্যদিকে, সানন্দবাড়ী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ৫টি প্রতিষ্ঠানের ১৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৩৫ জন।
সানন্দবাড়ী কলেজ কেন্দ্রে প্রধান পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাতৃছায়া বিদ্যানিকেতনের পরিচালক কামরুল হাসান (সোহাগ)। এছাড়া সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন অথেনটিক সেন্ট্রাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোস্তাইন বিল্লাহ। তাদের সক্রিয় তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষার সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যাতে পরীক্ষার সময় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনিয়মের ঘটনা না ঘটে। এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা, পরীক্ষা সামগ্রী ও নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, বিকেডিএ বৃত্তি পরীক্ষা মূলত শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা যাচাই এবং শিক্ষাদানের মান উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষক হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ের দক্ষতা এবং মনোবল বৃদ্ধিতে সহায়ক। পরীক্ষার প্রতিটি কেন্দ্রে নিয়ম মেনে এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষার পর, প্রধান পরীক্ষক কামরুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, “প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ন্যায্যভাবে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। আমরা নিশ্চিত করেছি যে পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্দীপনা এবং আগ্রহ চোখে পড়ার মতো ছিল। এই ধরনের পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
সানন্দবাড়ী এবং দেওয়ানগঞ্জের স্থানীয় শিক্ষাবিদ এবং অভিভাবকরা পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, “বিকেডিএ এর এই ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জন্য দারুণ সহায়ক। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মান উন্নয়নের জন্য এমন পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”
এই পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের সক্ষমতা প্রদর্শন করার সুযোগ পায় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের শিক্ষাদানের মান উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। বিকেডিএ এর এই ধরনের কার্যক্রম দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।