1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নকলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হা’ম’লা’য় গুরুতর আহত সাংবাদিক জাহাঙ্গীর ইসলামপুরে সুলতান মাহমুদ বাবুর নির্বাচনী পথসভা: ‘ভোট গণনা পর্যন্ত কেন্দ্রে থাকার আহ্বান’ ঝিনাইগাতীতে অসহায় বৃদ্ধার মাথার গোঁজার ঠাঁই করে দিল ‘জাগ্রত তরুণ সংস্থা’ গাজীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রচারণা: শ্রীপুরে শাহজাহান সজল ও ফজলুল হকের গণসংযোগ ইসলামপুরে বেনুয়ার চর বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির নাইট ফুটবল: ট্রাইবেকারে চ্যাম্পিয়ন জুয়েল একাদশ বাঘায় সরকারি কর্মচারীদের বিশাল মানববন্ধন: নতুন পে-কমিশন দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি বাঘায় তুলা চাষে ঝুঁকছেন প্রান্তিক কৃষকরা: কম খরচে অধিক লাভের স্বপ্ন ঝিনাইগাতীতে বিজিবি’র বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক নালিতাবাড়ীর নন্নীবাজারে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভা: গোলাম কিবরিয়াকে বিজয়ী করার আহ্বান জয়পুরহাট-১ আসনে ধানের শীষের সমর্থনে বিশাল নির্বাচনী মিছিল

বকশীগঞ্জে স্থলবন্দরে পাথর আমদানি বন্ধ বেকার প্রায় ৮ হাজার শ্রমিক, লোকসানে ব্যবসায়ীরা

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে
বকশীগঞ্জে স্থলবন্দরে পাথর আমদানি বন্ধ বেকার প্রায় ৮ হাজার শ্রমিক, লোকসানে ব্যবসায়ীরা

মনিরুজ্জামান লিমন
বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দরে টানা তিন মাস ধরে পাথর আমদানি বন্ধ থাকায় প্রায় ৮ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এতে একদিকে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

বন্দরসংশ্লিষ্টরা জানান, পাথর আমদানি বন্ধ থাকায় বন্দরের কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। পাথর ভাঙা শ্রমিক, ট্রাকশ্রমিক, হোটেল কর্মচারীসহ বন্দরের ওপর নির্ভরশীল হাজারো পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।

ভারতের মেঘালয় রাজ্য সংলগ্ন বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর সীমান্তে ১৯৭৪ সালে লোকাল কাস্টমস (এলসি) স্টেশন হিসেবে যাত্রা শুরু করে এ বন্দর। পরে ২০১৫ সালের ২১ মে এটি পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দরে রূপ পায়। বর্তমানে ইমিগ্রেশন চালুর লক্ষ্যে প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, এ স্থলবন্দর দিয়ে ৩৪টি পণ্য আমদানির সুযোগ থাকলেও বাস্তবে শুধু পাথর আমদানি হয়ে থাকে। তবে ভারতীয় অংশে কাঁচা ও ভাঙাচোরা সড়ক, সীমান্ত এলাকার অস্থিরতা, অতিরিক্ত শুল্ক ও নানা চার্জের কারণে আমদানিকারকরা লোকসানের মুখে পড়ছেন। এসব কারণেই গত তিন মাস ধরে ব্যবসায়ীরা পাথর আমদানি বন্ধ রেখেছেন।

ফলে বন্দরে পড়ে আছে শত শত পাথর ভাঙার ক্রাশার মেশিন। কাজ না থাকায় বেকার হয়ে পড়েছেন প্রায় ৮ হাজার পাথর ভাঙা ও ট্রাক শ্রমিক। এতে আমদানি-রপ্তানিকারকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরাও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

পাথর ভাঙা শ্রমিক মনু মিয়া বলেন, “পাথর আমদানি বন্ধ থাকায় আমরা অতি কষ্টে দিন কাটাচ্ছি। অন্য কোনো কাজও পাচ্ছি না। সংসার চালাতে পারছি না, বাজার করা ও কিস্তির টাকা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত পাথর আমদানি চালু করা না হলে আমরা আরও বিপদে পড়ব।”

আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল সেতু বলেন, “পাথরের সঙ্গে আসা মাটির ওপর শুল্ক এবং অতিরিক্ত চার্জের কারণে ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়ছেন। এসব সমস্যা সমাধান না হলে পাথর আমদানি চালু করা সম্ভব নয়। এতে সাত থেকে আট হাজার শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বন্দর রক্ষা ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থে শুল্ক বিভাগকে ছাড় দিতে হবে।”

এ বিষয়ে ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা প্রীতিময় কান্তি বড়ুয়া বলেন, “ভারতীয় অংশে ভাঙা সড়ক ও তাদের বন্দরের কিছু সমস্যার কারণে ব্যবসায়ীরা লোকসানের আশঙ্কায় মাঝে মাঝে আমদানি বন্ধ রাখেন। আমরা বারবার আমদানির জন্য অনুরোধ করলেও নানা কারণে তারা পাথর আনছেন না। তবে দ্রুত আমদানি চালু হবে বলে আশা করছি।”

স্থানীয় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের দাবি, অবিলম্বে সব জটিলতা দূর করে ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দরে পাথর আমদানি পুনরায় চালু করা হোক। এতে বন্দরের কার্যক্রম সচল হওয়ার পাশাপাশি হাজারো শ্রমিকের জীবিকা আবারও ফিরবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট