1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীপুরে কাভার্ড ভ্যানচাপায় স্কুলছাত্রের করুণ মৃত্যু পাদ্রিশিবপুরে দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ বকশীগঞ্জে বৃদ্ধের বাড়িতে তৃতীয় দফায় হামলা ও ভাঙচুর: নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার চাটখিলে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ বকশীগঞ্জে নাশকতার মামলায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৯ নেতা কারাগারে ইসলামপুরে অবৈধ দখলমুক্ত ও জমি উদ্ধারের দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন মধুপুরে শালবন রক্ষার দাবিতে সচেতন নাগরিক কমিটির মানববন্ধন চাটখিলে ঈদগাহ দিঘির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব: গ্রামবাসীদের সংবাদ সম্মেলন, আহত ৩ অনিশ্চয়তা কাটিয়ে হাসিমুখে পরীক্ষার টেবিলে বাঘার ৩৩ শিক্ষার্থী মধুপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

অনিশ্চয়তা কাটিয়ে হাসিমুখে পরীক্ষার টেবিলে বাঘার ৩৩ শিক্ষার্থী

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে
অনিশ্চয়তা কাটিয়ে হাসিমুখে পরীক্ষার টেবিলে বাঘার ৩৩ শিক্ষার্থী

আবুল হাশেম, রাজশাহী ব্যুরো:

পরীক্ষার বাকি আর মাত্র ৩ দিন। সহপাঠীরা যখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩৩ শিক্ষার্থীর চোখে ছিল অন্ধকার। ফরম পূরণ না হওয়ায় ঝুলে গিয়েছিল তাদের শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর। তবে সব শঙ্কা ও অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে হাতে পেয়েছে বহুকাঙ্ক্ষিত প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড)।

জানা গেছে, আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার আগমুহূর্তে শিক্ষার্থীরা আকস্মিকভাবে জানতে পারেন যে, বিদ্যালয়ের মোট ৩৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজনের ফরম পূরণ হয়েছে; বাকি ৩৩ জনের নাম তালিকার বাইরে। এই খবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেয় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও বোর্ড চেয়ারম্যানের বিশেষ হস্তক্ষেপে জরুরি ভিত্তিতে রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণের বিশেষ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। শনিবার (১৮ এপ্রিল) অনলাইন থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান বলেন, “ঠিক কীভাবে এই ৩৩ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ থেকে বাদ পড়েছিল, তা আমরা প্রথমে বুঝতে পারিনি। বিষয়টি জানার পর বোর্ড চেয়ারম্যান ও স্কুল পরিদর্শক স্যারের সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করি। আজ তাদের হাতে অ্যাডমিট কার্ড তুলে দিতে পেরে আমরা বড় ধরনের স্বস্তি বোধ করছি।”

প্রবেশপত্র হাতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। তারা জানায়, “আমরা পরীক্ষা দেওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম। এখন পরীক্ষা দিতে পারব ভেবে খুব আনন্দ হচ্ছে। আমাদের এই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য শিক্ষক ও শিক্ষা বোর্ডকে অসংখ্য ধন্যবাদ।”

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান জানান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের কথা বিবেচনা করে বোর্ডের চেয়ারম্যানের নির্দেশে বিশেষ ব্যবস্থায় তাদের পরীক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি একটি বিশেষ পরিস্থিতি ছিল এবং দ্রুততম সময়ে সমাধান করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট