1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৪৭তম বিসিএসে বাজিমাত: স্বাস্থ্য ক্যাডারে দেশসেরা ২৩তম বাঘার রুমা সুলতানা তৃতীয় দফায় পিছাল শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়, নতুন তারিখ ৬ জুলাই আদালতে সাক্ষী দিতে না আসায় জামালপুরে নারী চিকিৎসককে কারাদণ্ড মধুপুরে ঘরের ভেতর ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে যুবকের আত্মহত্যা ৪৭তম বিসিএসে তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত বাঘার মেয়ে সাদিয়া আফরিন বকশীগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবকদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও উদ্ধার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত লক্ষীনগরে বিবাহিত বনাম অবিবাহিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, জয়ী অবিবাহিত একাদশ চিরিরবন্দরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪ মাদকসেবীর কারাদণ্ড ও জরিমানা ২৫ লাখ টাকার চেক জালিয়াতি ও প্রতারণা: শেরপুরে ব্যবসায়ী সজীব গ্রেফতার শেরপুরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি আশুলিয়ায় গ্রেপ্তার

তৃতীয় দফায় পিছাল শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়, নতুন তারিখ ৬ জুলাই

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে
তৃতীয় দফায় পিছাল শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়, নতুন তারিখ ৬ জুলাই

মোঃ বেল্লাল হোসাইন নাঈম, স্টাফ রিপোর্টার:

নোয়াখালীর চাটখিলের বহুল আলোচিত ৫ বছরের শিশু আসমা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণার তারিখ তৃতীয় দফায় পিছিয়েছে। এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৬ জুলাই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে আদালত।

গত বুধবার জেলার বিশেষ শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তার এ আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুক্লা সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “মামলার রায় ঘোষণার তারিখ আদালতের পক্ষ থেকে তৃতীয় দফা পরিবর্তন করে আগামী ৬ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে।”

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড

নিহত আসমা আক্তার চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাসিন্দা মাওলানা মো. শাহজাহানের মেয়ে। এ মামলার একমাত্র আসামি শাহাদাত (২৬) একই গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে এবং নিহতের জ্যাঠাতো ভাই।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় ৫ বছরের শিশু আসমা। ঘটনার দীর্ঘ নয় দিন পর আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাদেরই বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংকি থেকে আসমার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ভিকটিমের জ্যাঠাতো ভাই শাহাদাতকে গ্রেপ্তার করা হলে পুরো রহস্য উন্মোচিত হয়। তদন্ত চলাকালে আসামি শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, সে আসমাকে ধর্ষণের পর ঘটনাটি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শিশুটিকে নৃশংসভাবে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকিতে লুকিয়ে রাখে।

নোয়াখালী জুড়ে ক্ষোভ ও ফাঁসির দাবি

উল্লেখ্য, এই বর্বরোচিত ও পাশবিক হত্যাকাণ্ডের পর পুরো নোয়াখালী জেলা জুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠেন। তৎকালীন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে জেলা জুড়ে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় এলাকাবাসী ও সচেতন মহল শুরু থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার এবং ঘাতক শাহাদাতের সর্বোচ্চ শাস্তি তথা ফাঁসির দাবি জানিয়ে আসছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট