1. info@www.newsgrambangla.com : নিউজ গ্রামবাংলা :
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রংপুরে পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন বকশীগঞ্জ সীমান্তে পুশইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার রাণীনগরে গাছ কেটে জমি দখলের অভিযোগ, ভিডিও করায় গৃহবধূকে হেনস্তা শেরপুরে জেন্ডার স্টেরিওটাইপ নিরসনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা: ৩ দিন ধরে শূন্যরেখায় ১০ জনের মানবেতর জীবনযাপন, উত্তেজনা পঞ্চগড়ে সিজারের আগে খোলা স্বর্ণের চেইন ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ, নার্সের দাবি ‘হারিয়ে গেছে’ মধুপুরে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ডাকে কলম বিরতি পালিত পঞ্চগড়ে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু নান্দাইলে দুই গ্রামের মুখোমুখি অবস্থান: সংঘাত এড়াতে ১৪৪ ধারা জারি

ঝিনাইগাতী ক্ষুদ্র বণিক সমবায় সমিতির টাকা আত্মসাৎ—দুই সাবেক নেতার বিরুদ্ধে সদস্যদের ক্ষোভ; সংবাদ সম্মেলনে তীব্র প্রতিবাদ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে
ঝিনাইগাতীতে সমবায় সমিতির অর্থ আত্মসাৎ অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের দৃশ্য
ঝিনাইগাতী ক্ষুদ্র বণিক সমবায় সমিতির টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন সমিতির সদস্যরা।

মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর প্রতিনিধি :
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ক্ষুদ্র বণিক সমবায় সমিতি লিমিটেড-এর বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুই সাবেক নেতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে সোনালী ব্যাংকের নিচতলায় সমিতির সাধারণ সদস্যদের উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ তুলে ধরেন সমিতির সাধারণ সদস্য মো. ছামিউল ইসলাম সাদা।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, উপজেলার সবচেয়ে বৃহৎ ব্যবসায়ী সংগঠন ঝিনাইগাতী ক্ষুদ্র বণিক সমবায় সমিতি লিঃ-এর ২০১৮ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মো. জাকির হোসেন এবং কার্যকরী সদস্য ছিলেন মো. জহুরুল ইসলাম মিলন। দায়িত্বকালীন সময়ে জাকির হোসেন সদস্যদের ভর্তি ফরম বাবদ ৩০ জনের কাছ থেকে মোট ৬০ হাজার টাকা এবং জহুরুল ইসলাম মিলন ২০১৮–১৯ অর্থবছরের ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম বিক্রি থেকে ৬৮ হাজার টাকা সংগ্রহ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় এই বিপুল অর্থ সমিতির হিসাবে জমা না দিয়ে তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ করেন। পরবর্তী কমিটির সভাপতি মো. আবু বাহার ও সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান হালিম বারবার নোটিশ দিলেও তাঁরা কোনো সাড়া দেননি।

বিষয়টি নিয়ে ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি সমিতির কার্যালয়ে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি, সম্পাদক, উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যকরী সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বিস্তারিত আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে একটি রেজুলেশন গ্রহণ করা হয়। সভায় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমিনুল ইসলাম বাদশা, এস. এম. এ. ওয়ারেজ নাইম, আবু তাহের, আলহাজ গোলাম মোস্তফা, লুৎফর রহমানসহ বিভিন্ন কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তী কমিটিগুলোও বারবার চেষ্টা করেও আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মো. ছামিউল ইসলাম সাদা বলেন, “সমিতির এই অর্থ কোনো ব্যক্তির সম্পদ নয়; এটি সকল সদস্যের যৌথ সম্পদ। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতার মাধ্যমে এভাবে সমিতির সম্পদ আত্মসাৎ করা অনৈতিক, বেআইনি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমরা সদস্যরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”

তিনি আরও বলেন, “সাংবাদিক ভাইরা জাতির বিবেক। আপনাদের নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশ হলে একদিকে আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধার সম্ভব হবে, অন্যদিকে উপকৃত হবেন সমিতির হাজারো সদস্য।”

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান হালিম স্বীকার করেন, “তৎকালীন কমিটি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও ওই দুই ব্যক্তির কাছ থেকে সমিতির টাকা আদায় করতে ব্যর্থ হয়। এ বিষয়ে আমরা রেজুলেশন করে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছি।”

বর্তমান কমিটির সভাপতি আলহাজ মোখলেছুর রহমান খাঁন ও সহ-সভাপতি কামরুল হাসান কামরান জানান, “উক্ত দুই ব্যক্তির নিকট থেকে সমিতির পাওনা টাকা আদায়ে চেষ্টা করা হবে। আদায় করতে ব্যর্থ হলে সমবায়ী আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে সমিতির বর্তমান সভাপতি আলহাজ মোখলেছুর রহমান খাঁন, সহ-সভাপতি কামরুল হাসান কামরান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান হালিমসহ সাবেক ও বর্তমান কমিটির সদস্যবৃন্দ, সাধারণ সদস্য এবং বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট